হাঁপানির কারণ ও চিকিৎসা - হাঁপানি বা এজমা কি ?

প্রিয় পাঠক আপনি যদি হাঁপানির কারণ ও চিকিৎসা সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আর্টিকেলটি আপনার জন্য । হাঁপানি বা এজমা আমাদের দেশে মারাত্মক একটি রোগ এই রোগের জন্য আমরা কোন কাজ করে বা কোন খাবার খেয়ে শান্তিতে থাকতে পারিনা । তাই হাঁপানির কারণ ও চিকিৎসা সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে ।

আপনি যদি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে আরো জানতে পারবেন হাঁপানি বা অ্যাজমা কি সে সম্পর্কে । তাহলে চলুন দেরি না করে শুরু করা যাক হাঁপানির কারণ ও চিকিৎসা এবং হাঁপানি বা এজমা কি ? সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ।

 পেজ সুচিঃ হাঁপানির কারণ ও চিকিৎসা - হাঁপানি বা এজমা কি ?


ভূমিকা

হাঁপানি একটি দীর্ঘমেয়াদী রোগ যার মূল লক্ষণ হলো শ্বাসকষ্ট ও শাশা শব্দে বিশ্বাস ফেলা  । হাঁপানি আক্রমণের সময় শ্বাসনালীর আস্তরণ ফুলে যায় যার ফলে শ্বাসনালী এতটাই সংকীর্ণ হয়ে যায় যে প্রশাসন নিঃশ্বাসে শ্বাস বায়ুর গতি অনেকটাই কমে যায় । হাঁপানের কারণ এখনো পুরোটা বোঝা যায়নি । তবু এলার্জি তামাকের দোয়া ওর রাসায়নিক উত্তেজক পদার্থ হাঁপানি ক্রমশ বৃদ্ধি পায় । এগুলোকে হাঁপানি রোগের মূল কারণ হিসেবে ধরা হয় । সম্ভব নয় কিন্তু যথাযথ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব । উন্নত মানের সত্য জীবন জাপানের জন্য সঠিক পরিচালনার প্রয়োজন ।

হাঁপানির কারণ

হাঁপানির প্রকৃত কারন এখনো জানা যায়নি । তবে নির্দিষ্ট কতগুলো জুকির কারণ হাঁপানির সঙ্গে সংযুক্ত এবং নিম্নলিখিত বিষয়গুলো এদের মধ্যে পড়ে এলার্জি বৃদ্ধির মাংস কত প্রবণতা যাকে এটোপি বলা হয় বাবা - মার হাঁপানি থাকলে বংশগত ধূলো ,পশুর লোম ,আরশোলা ,ফুলের রেনু ,ঘাস থেকেও এলার্জি হতে পারে । সিগারেটের দোয়া , বায়ু দূষণ , কাজের জায়গায় রাসায়নিক ধুলাবালি এবং স্প্রে যেমন চুলের

আরো পড়ুনঃ চর্মরোগ হলে করণীয় কি জেনে নিন

 স্প্রিড জাতীয় ওষুধ অথবা অন্য কোন এমপি কিংবা কমানোর ঔষধ এবং নন সিলেক্টিভ বিটা ব্লকার । খাদ্য ও পানি সালফাইটের প্রভাব । ভাইরাস ঘটিত শ্বাস-প্রসার সংক্রান্ত সংক্রমণ যেমন ঠান্ডা লাগা ব্যায়ামসহ শারীরিক কাজকর্ম শৈশবের বায়ুবাহিত এলার্জি বা ভাইরাস গঠিত সংক্রমণি সংঘর্ষ অথবা শৈশবের গোড়াতে যখন প্রতিরোধের ক্ষমতা শব্দ বিকাশের পথে ।

চিকিৎসা

চিকিৎসার শুরুতেই রোগীর জন্য কোন উপাদানটি ক্ষতিকর সেটা আলাদা করতে হবে ,যাতে পরে সর্তক হওয়া যাই ।হাঁপানি অ্যাটাক হঠাৎ করে শুরু হয় খুব দ্রুত ভয়াবহ আকার ধারন করে ।প্রথমে আক্লান্ত ব্যক্তিকে বসিয়ে শান্ত করতে হবে , এরপর স্পেসারের সাহায্যে দুই বার শ্বাসনালী প্রসারক ইনহেলারের পাফ দিতে হবে । এরপর ৪ মিনিট অপেক্ষা করে দেখতে হবে যে শ্বাসকষ্টের প্রকোপ

আরো পড়ুনঃ ডায়াবেটিস হলে করণীয় কি - ডায়াবেটিস কেন হয় জেনে নিন

 কমেছে কিনা । যদি না কমে তাহলে আবার চেষ্টা করতে হবে । এছাড়া বাসায় নেবুলাইজার মেশিন থাকলে সেটার মাধ্যমে ওষুধ নেয়া যেতে পারে । তারপরও অবস্থার উন্নতি না হলে এম্বুলেন্স ডাকতে হবে যেন রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে নেওয়া যায়  । অ্যাম্বুলেন্স আসবার আগ পর্যন্ত রোগীকে ইনহেলার দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে ।

ইনহেলারঃ ইনহেলার এর মধ্যে সাধারণত স্বল্প কার্যকরী বিটা ২- এগোনিস্ট  থাকে । এটি সংকীর্ণ শ্বাস পথ  ঘিরে থাকা পেশীকে শিথিল করতে সাহায্য করে । হাঁপানি উপাসনের ঔষধের মধ্যে পড়ে সালবুটামোল ও টারবুটানিল জাতীয় ঔষধ ।

হাঁপানির ঘরোয়া চিকিৎসা 

পেঁয়াজঃ এতে রয়েছে প্রচুর মাথায় এন্ট্রি ইনপ্লেমোটরি উপাদান যার শ্বাসনালীর প্রবাহ কমিয়ে এজমার প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে । এক্ষেত্রে কাঁচা পেঁয়াজ খেলে বেশি উপকার মিলে অন্যভাবে নই কিন্তু ।

মধুঃ অ্যাজমার চিকিৎসা মধুর ব্যবহার বহু কাল ধরে হয়ে আসছে । আসলে এই প্রাকৃতিক উপাদানটি শরীরের বেশ কিছু উপকারী উপাদান যা এমন রোগের প্রকোপ কমাতে ধারণ কাজে আসে । এক্ষেত্রে মধুর গন্ধ নিলেও অনেকের উপকার হয় । আর যদি এমনটা করে না ফল মিলে তাহলে দিনে তিনবার এক গ্লাস করে গরম জলে এক চামচ করে মধু মিশিয়ে পান করলে দারুণ উপকার পাওয়া যাবে ।

কফিঃ অ্যাজমার প্রকোপ কমাতে কফি দারুল কাজে আসে । কারণ গরম গরম এক পোয়ালা কফি খেলে শ্বাসনালী খুলে যায় । ফুসফুসের অন্দরে প্রবেশ করে যাই । এক্ষেত্রে কফি যত করা হবে তত উপকার পাবেন । তাই এবার থেকে শ্বাস নিতে সময় সামান্য অসুবিধা হলেই কফি খেয়ে নেবেন । তবে দিনে তিন কাপের বেশি কপি কিন্তু বলেও খাবেন না এতে শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর।

সরিষার তেলঃ একেবারে ঠিক শুনেছেন শ্বাসকষ্ট কমাতে বাস্তবিক সরিষার তেল ধারণ কাজে আসে । আসলে এই তেলটি রেস্পিরেটারি  প্যাসেজকে খুলে দেই । ফলে শ্বাস নিতে কোন কষ্ট হয়না তাই এবার থেকে এজমার অ্যাটাক হলে অল্প করে সরিষার তেল গরম করে নিবেন । তারপরে সেটি অল্প ঠান্ডা করে বুকে পিঠে ভালো করে মালিশ করতে থাকবেন । এমনটা করলেই ধীরে ধীরে লক্ষণ কমে যেতে শুরু করবে ।

আদাঃ শ্বাসনালির প্রদাহ কমিয়ে অক্সিজেন প্রবেশ যাতে ঠিকমতো হয় সেদিকে খেয়াল রাখে । ফলে স্বাভাবিকভাবেই শ্বাসকষ্ট কমতে শুরু হয় । এক্ষেত্রে সম পরিমাণে আদার রস বেদনার রস এবং মধু মিলিমিশিয়া একটা মিশ্রণ তৈরি করতে হবে । এই মিশ্রণটি দিনে দুই থেকে তিনবার খেলে দেখবেন ধারণা উপ্কার হবে । 


হাঁপানি বা এজমা কি ? 

হাঁপানি হল কোন ট্রিগার বা এলার্জিনের কারণে সৃষ্ট শ্বাসনালীর সমস্যা । এই এলার্জেন বা  ট্রিগার ব্যক্তি বিশেষে ভিন্ন হয় । যার ফলে যে নারীর মাধ্যমে ফুসফুসে বাতাস যায় তা সংকুচিত হতে হতে এমন অবস্থায় চলে আশে যে শ্বাস নেওয়া খুব কষ্টকর হয়ে যায় । এমন সময় ভালোভাবে শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করতে করতে বুকের মাংসপেশিগুলোর সাথে সাথে ক্লান্ত হয়ে যায় আক্রান্ত ব্যক্তি শরীর । শরীরে

 স্বাভাবিক মাত্রায় অক্সিজেন না প্রবেশ করাই শরীর দ্রুত খারাপ হয়ে যায় । মজার ব্যাপার হলো  এই যে শ্বাসনালীর সংকোচন এটা কিন্তু শরীর করে নিজেকে রক্ষা করার জন্য , এটা হল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ওই এলার্জিনের বিপক্ষে চালানোর যুদ্ধ । যেখানে মাঝখান থেকে আমরা পড়ে যায় বিপদে । এই সমস্যা এলার্জিনবেদে প্রকট আকার ধারণ করতে পারে । তাই যাদের হাঁপানি সমস্যা আছে তাদের তো

 বটেই , তাদের আশেপাশের মানুষ পরিবার এবং বন্ধুদের জেনে রাখা উচিত যে এরকম এটাক হলে কি করতে হবে । যাদের এই সমস্যা খুব বেশি তারা প্রয়োজনে তাদের ডাক্তারের নাম হাসপাতালে ফোন নম্বর এবং সমস্যা হলে কি ওষুধ ব্যবহার করতে হবে সব লিখে রাখতে পারেন । এতে বিপদের সময় সাহায্য পাওয়া সহজ হবে ।

হাঁপানির ঝুঁকি এরাবেন কিভাবে

হাঁপানির ওষুধ মূলত দুই রকমের সমস্যা , নিবারক ঔষধ , আর সমস্যা প্রতিরোধক ঔষধ অর্থাৎ সমস্যা যেন বারবার না হয় তার জন্য ঔষধ । শ্বাসকষ্টের সমস্যা যেন বারবার না হয় সেজন্য রোগীকে ডাক্তারের পরামর্শ মত নিয়মিত ঔষধ খেতে হবে যেন হঠাৎ করে হাঁপানি অ্যাটাক না করে । ফুসফুসের ইনফেকশন না সারলে ডাক্তারের পরামর্শের মতো এন্টিবায়োটিকতে হবে । প্রয়োজনে ডাক্তার স্টেরয়েড ঔষধ দিতে পারে না সেটা সঠিক নির্দেশ মত খেতে হবে । আর ডাক্তারি পরামর্শ ছাড়া নিজে নিজে ওষুধ

আরো পড়ুনঃ মহিলাদের হাঁটু ব্যাথার কারণ ও প্রতিকার - হাঁটু ব্যথার ব্যায়াম জেনে নিন

 খাওয়া যাবে না । যেসব কারণে রোগীর শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছে  সে সব জায়গা থেকে দূরে থাকতে হবে । যেমন কারো দুলাই এলার্জি থাকলে বাইরে যাবার আগে মাস্ক্ পরে নিতে হবে । বা মুখ ঢেকে রাখতে হবে যেন নিঃশ্বাসের সাথে শ্বাসনালীতে  ধূলো না ঢুকে । ন এটি একটি বড় সমস্যা যার সময়মতো চিকিৎসা না হলে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে , তাই এই রোগ সম্পর্কিত যত প্রশ্ন আছে তা ডাক্তারের সাথে আলোচনা করে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া ভালো ।

শেষ কথা

প্রিয় পাঠক আপনি যদি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো আর্টিকেলটি পড়ে থাকেন তাহলে নিশ্চয় জানতে পেরেছেন হাঁপানের কারণে ও চিকিৎসা এবং হাঁপানি বা এজমা  কি? আরো আলোচনা করেছি ঘরোয়া উপায়ে হাঁপানি চিকিৎসা । তথ্যবহুলিয়া আর্টিকেলটি যদি আপনার কাছে ভালো লেগে থাকে তাহলে নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করবেন ।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url