আমের মুকুল ঝরে পড়ার কারণ -আমের মুকুল আসার পর করণীয়

 আমরা অনেকে আম চাষ করে লাভবান হতে পারি না কারণ অনেক সময় দেখা যায় আম গাছের মুকুল নষ্ট হয়ে আমাদের অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে । তাই আমরা এই আর্টিকেলে আলোচনা করব আমের মুকুল নষ্ট হওয়ার কারণ এবং আমের মুকুল কিভাবে পরিচয় যা করলে ভালো ফলন পাওয়া যায় সেই সম্পরক।

আরো আলোচনা করব আম চাষে সার প্রয়োগ পদ্ধতি ফসল সংগ্রহ চারা রোপণ পদ্ধতি অন্যান্য পরিচর্যা সেচ প্রয়োগ পদ্ধতি  । পাঠক আপনি যদি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো আর্টিকেলটি পড়েন তাহলে আজকের বিষয় সম্পর্কে সঠিক ধারণা পেতে পারবেন । তাহলে চলুন দেরি না করে শুরু করা যাক আজকের আর্টিকেল এর বিষয়বস্ত -

পেজ সূচিপত্র ঃ আমের মুকুল ঝরে পড়ার কারণ -আমের মুকুল আসার পর করণীয়

  • আমের মুকুল ঝরে পড়ার কারণ
  • আমের মুকুল আসার পর করণীয়
  • আমের ভোমরা পোকা দমন
  • সার প্রয়োগ
  • ফসল সংগ্রহ
  • শেষ কথা 

আমের মুকুল ঝরে পড়ার কারণ

প্রিয় পাঠক নিচে আমরা আলোচনা করব আমের মুকুল ঝরে পড়ার কারণ সম্পর্কে । আপনি যদি নিজের অংশটুকু মনোযোগ সহকারে পড়ুন তাহলে নিশ্চয়ই জানতে পারবেন আমের মুকুল জড়ে  পড়ার কারণ । তাহলে চলুন দেরি না করে শুরু করা যাক মূল আলোচনা-এ্যানথ্রাকনোজ রোগের আক্রমণে গাছের মুকুল ও ফল বাদামী রং দাগ পড়ে । এ রোগে আক্রমণ মুকুল ঝরে যায় । আমের গায়ে

আরো পড়ুনঃ মাশরুম চাষ পদ্ধতি -মাশরুমের ঔষধি গুনাগুন

 কালচে দাগ হয় এবং পচে যায় । কুয়াশা মেঘাচ্ছন্ন ও ভিজা আবহাওয়া ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে এবং সমস্ত মুকুল ঝরে যায় । প্রিয় পাঠক উপরে আমরা আলোচনা করেছি আমির মুকুল ঝরে পড়ার কারণ সম্পর্কে আপনি যদি উপরের অংশটুকু মনোযোগ সহকারে পড়ে থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই জানতে পেরেছেন । নিচে আমরা আলোচনা করব আমের মুকুল আসার পর করনীয় কি ?

আমের মুকুল আসার পর করণীয়

প্রিয় পাঠক আপনি যদি জানতে চান আমির মুকুল আসার পর করণীয় কি তাহলে নিচের অংশটুকু আপনার জন্য । কারণ নিচে আমরা আলোচনা করব আমের মুকুল আসার পর করনীয় কি ? তাহলে চলুন দেরি না করে শুরু করা যাক মূল আলোচনা -গাছের মুকুল আসার পর কিন্তু ফুল ফোটার পূর্বে টিল্ট - ২৫০ ইসি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি অথবা ডাইথেন এম ৪৫.২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে

আরো পড়ুনঃ ছাগল পালনের সঠিক পদ্ধতি জেনে নিন

 মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে । আমের আকার মটর দানার মত হলে দ্বিতীয়বার স্প্রে করতে হবে । প্রিয় পাঠক ওপরে আমরা আলোচনা করেছি আমের মুকুল আসার পর করনিয় কি । আপনি যদি উপরের অংশটুকু মনোযোগ সহকারে পড়ে থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই জানতে পেরেছেন ।

আমের ভোমরা পোকা দমন

আমের  ভোমরা পোকা আমের গায়ে ছিদ্র করে ভিতরে ঢুকে শ্বাস খায় । সাধারণত কছি আম  ছিদ্র করে এরা ভিতরে ঢুকে এবং ফল বড় হওয়ার সাথে সাথে ছিদ্রটি বন্ধ করে দেয়  । এজন্য বাইরে থেকে আন্টি ভাল মনে হলেও ভিতরে কিরা পাওয়া যায় । একবার কোন গাছে পোকার আক্রমণ হলে প্রতিবছরের সেই গাছটি আক্রমণ হয়ে থাকে । ক্রমে ক্রমে পার্শ্ববর্তী গাছ সমূহে তা ছড়িয়ে পড়ে ।

প্রতিকার

আম গাছের মরা ও অতিরিক্ত পাতা শাখা এবং পরগাছা কেটে ফেলতে হবে । গাছে ফল আসার পর এক থেকে দুই সপ্তাহ পর ১৫ মিলি ডাইমেক্রন ৫৫ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১৫ দিন পর পর দুইবার স্প্রে করতে হবে । ডাইমেক্রন ১০০ ইসি প্রতি লিটার পানিতে এক মিলি মিশিয়ে অথবা সমীথিয়ন ৫০ এসি ২ মিলি হারে মিশিয়ে ১৫ দিন পর পর দুইবার স্প্রে করলে ভালো ফল পাওয়া যায় ।

সার প্রয়োগ

প্রিয় পাঠক নিচে আমি আলোচনা করব আম গাছের সার প্রয়োগ পদ্ধতি সম্পর্কে আপনি যদি নিজের অংশটুকু মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন তাহলে চলুন দেরি না করে শুরু করা যাক বিস্তারিত আলোচনা -একটি পূর্ণবয়স্ক ফল গাছে বছরে ৫০ কেজি জৈব সার ২ কেজি ইউরিয়া সার , ১ কেজি টি এস পি , ৫০০ গ্রাম এমওপি , ৫০০ গ্রাম জিপসাম , ২৫ গ্রাম জিঙ্ক সালফেট

 প্রয়োগ করতে হবে । উল্লেখিত সার ২ কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে । প্রথমবার জ্যৈষ্ঠ আষাঢ় মাসে এবং দ্বিতীয়বার আশ্বিন মাসে প্রয়োগ করতে হবে । অর্থাৎ মে থেকে জুলাই এবং সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর ।

ফসল সংগ্রহ

প্রিয় পাঠক নিচে আমরা আলোচনা করব আমের ফসল সংগ্রহ নিয়ে । আপনি যদি নিচের অংশটুকু মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে জানতে পারবেন তাহলে চলুন দেরি না করে শুরু করা যায় বিস্তারিত আলোচনা-গাছে কিছু সংখ্যক আমের নিচের ত্বক যখন সামান্য হলো দাগ রং ধারণ করে অথবা আদাপাকা আম গাছ থেকে পড়ে আরম্ভ করে তখনই আম সংগ্রহ করা উপযুক্ত সময় । গাছ ঝাঁকি দিয়ে আম না পেরে ছোট গাছের ক্ষেত্রে হাত দিয়ে এবং বরগাদেরকে দিয়ে জালিযুক্ত বাসের কোটার সাহায্যে আম সংগ্রহ করা ভালো ।

মাটি

উর্বর দু আশ মাটি আম চাষের জন্য উত্তম । উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি নির্বাচন করতে হবে ।

জমি তৈরি

চাষ ও মই দিয়ে জমি সমতল এবং আগাছা মুক্ত করে নিতে হবে ।

রোপন পদ্ধতি

সমতল ভূমিতে বর্গাকার বা আয়ত্তাকার পাহাড়ি ভূমিতে কন্টুর । এক বছর বয়স্ক সুস্থ সবল রোগমুক্ত কলামের চারা রোপন করতে হবে ।

চারা রোপণের সময়

মে থেকে জুলাই অথবা ভাদ্র থেকে আসেন মাস চাড়া রোপণের সঠিক সময় ।

আরো পড়ুনঃ লাভজনক কোয়েল পাখি পালনের- সঠিক পদ্ধতি জেনে নিন

শেষ কথা

প্রিয় পাঠক আপনি যদি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো আর্টিকেলটি পড়ে থাকেন তাহলে নিশ্চয় জানতে পেরেছেন আমি এর মুকুল জোরে পড়ার কারণ আমের মুকুল আসার পরপর নিয়ে কি আরো জানতে পেরেছেন আম চাষে সার প্রয়োগ পদ্ধতি এবং ফসল সংগ্রহ । তথ্যবহুল এই আর্টিকেলটি যদি আপনার কাছে ভালো লেগে থাকে তাহলে নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করবেন ।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url