পেঁয়াজের উপকারিতা - অপকারিতা ও পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জেনে নিন

 আমরা প্রতিদিন নিয়মিত পেঁয়াজ খেয়ে থাকি পেঁয়াজ কাঁচা এবং রান্না করেও খাওয়া যায় । তবে আমরা হয়তো জানি না পেঁয়াজের উপকারিতা অপকারিতা ও পুষ্টিগুণ সম্পর্কে । তাই নিচে আমরা আলোচনা করব পেঁয়াজের উপকারিতা অপকারিতা ও পুষ্টিগুণ সম্পর্কে ।

প্রিয় পাঠক আপনি যদি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে নিশ্চয়ই জানতে পারবেন পেঁয়াজির উপকারিতা অপকারিতা ও পুষ্টিগুণ সম্পর্কে এই আর্টিকেলে আরো আলোচনা করা হবে পেঁয়াজ খেলে কি কি রোগ ভালো হয় । তাহলে চলুন দেরি না করে শুরু করা যাক মূল আলোচনা -

কনটেন্ট সূচিপত্রঃ পেঁয়াজের উপকারিতা - অপকারিতা ও পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জেনে নিন

পেঁয়াজের পুষ্টিগুণ

পেঁয়াজ হল একটি কন্দজ সবজি । এটি আবার মসলা হিসেবে ব্যবহার করার চরণ আছে । সারা বছর বাজারে পেঁয়াজের দেখা মেলে । এর বিজ্ঞানসম্মত নাম হল -ুঅলিয়াম সোপা । পেঁয়াজ বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত মূল্যবান ফসল । পেঁয়াজের পাতা ও ডাটা ভিটামিন সি ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ । তাছাড়া এতে অন্যান্য খাদ্য উপাদান রয়েছে । এটি সাধারণত ঠান্ডা জলবায়ুর উপযোগী ফসল এবং বাংলাদেশে

 মূলত রবি মৌসুমে পেঁয়াজের আবাদ হয়ে থাকে । পেঁয়াজ ভিটামিন এ , বি ও সি সমৃদ্ধ । এটি ফলিক এসিডের ও একটি ভালো উৎস । এ ছাড়া এতে ক্যালসিয়াম , ফসফরাস , ম্যাগনেসিয়াম ও ক্রোমিয়াম রয়েছে  সালফার , আয়রন ইত্যাদি । পেঁয়া যে এত খুশী উপাদান থাকার পরেও এর উপকারিতা নিয়ে কোন সন্দেহ থাকা অবকাশ নেই । একটি বড় পেঁয়াজ ৮৬ দশমিক আট শতাংশ পানি , ১.২ শতাংশ

আরো পড়ুনঃ আপেলের ঔষধি গুনাগুন/উপকারিতা ও অপকারিতা জেনে নিন

 প্রোটিন , ১১.৬ শতাংশ শর্করা , 0.8% ক্যালসিয়াম , শূন্য দশমিক ০৪ শতাংশ ফসফরাস । সচরাচর আমরা পেঁয়াজ কাটার সময় পেঁয়াজের ত্বক ফেলে দেই । কিন্তু পেয়াজে যে অংশটি আমরা ফেলে দেই সেই বাদামি রঙের খোসা নাকি বেশি উপকারী ।

পেঁয়াজের উপকারিতা

  • পেঁয়াজে অবস্থিত ফাইটো কেমিক্যাল ভিটামিন প্রোটিন মিনারেল আমাদের দেহে ভিটামিন সি এর যোগান দিয়ে থাকে ও দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ।
  • পেঁয়াজি বিদ্যমান  ক্রোমিয়াম আমাদের দেহের রক্ত চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে ।
  • শত শত বছর ধরে পেঁয়াজ আমাদের বুকের জ্বালাপোড়া ও যেকোনো ধরনের ইনফেকশন সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে ।
  • অনেকেই খাবারের সঙ্গে কাঁচা পেঁয়াজ খেতে পছন্দ করেন যা স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী কাছা পেঁয়াজ আমাদের দেহের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ রাখে ও আমাদের হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখে ।
  • পেঁয়াজের কিউরেটটিন আমাদের দেহে ক্যান্সার গঠন প্রতিরোধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।
  • যদি মৌমাছি দেহের কোন স্থানে কামড় দিয়ে থাকে তাহলে সেই স্থানে পেঁয়াজের রস লাগিয়ে দিন দেখবেন জ্বালাপোড়া কমে যাবে ।
  • পেঁয়াজে আছে এমন উপাদান যার জন্য দেহে গ্যাস্ট্রিকালচার হওয়া ঝুঁকি কম থাকে ।
  • পেঁয়াজের সবুজ পাতা গুলোতে আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ যা আমাদের চোখের জন্য বেশি উপকারী ।
  • হৃদপিন্ডের সংবহনতন্ত্রের উপকারিতা- পেঁয়াজের রস খেলে এটি রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে এটি ধমনী শক্ত হয়ে যাওয়া এবং হৃদরোগ সহ নানারকম রোগ প্রতিরোধ করে পেঁয়াজ হোমোসিস্টেইনের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে এবং যেকোনো সংক্রমণ সমস্যা বৃদ্ধিতে বাধা দেয় ।
  • প্রদাহ নাসক - পেঁয়াজের হয়েছে প্রদাহনা সব গুণ যার ফলে এটি আর্থাইটিস ও গেটে বাত প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে ।
  • জীবাণুনাশক- পেঁয়াজের জীবনে না সব গুনাগুনের জন্য এটি ইকোলায় ও স্যামোনেলা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ প্রতিরোধে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এছাড়া cystits এ ধরনের মুতন্ত্রের সংক্রমণের জন্য পেঁয়াজের রস বেস উপকারী ।
  • এলার্জি প্রতিরোধে - পেঁয়াজে থাকা ক্রেয়েটিন নামক এন্টিহিস্টামিন অ্যাজমার জন্য উপকারী । এছাড়া পেয়াজে থাকা ক্রোয়েটিন অন্য যেকোনো ধরনের উৎস থেকে প্রাপ্ত ক্রয়েটিন থেকে তুলনামূলকভাবে সহজ সুদন হয় এবং রক্তের চলাচল স্বাভাবিক ।
  • শ্বাসতন্ত্রের রোগ- ঠান্ডা কাশির মতো সাধারণ রোগের ক্ষেত্রে সেরা গরুয়া প্রতিকার হচ্ছে পেঁয়াজের রস । পেঁয়াজের মাঝে থাকা তেল শুধুমাত্র শ্লেম্মা কমাতে সাহায্য করে না সাথে সাথে তা প্রতিরোধ করে । এটা ব্রংকাইসিস রক্ত জমাট বাধা এবং বিভাগীয় সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য বেশ উপকারী ।
  • অস্টিওপোরোসিস- পেঁয়াজ ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস । গবেষণায় দেখা গেছে পেঁয়াজের মাঝে এমন একটি উপাদান রয়েছে যা হারের ক্ষয় রোধ করে তাই পেঁয়াজ আমাদের দেহের হাড়ের রক্ষণাবেক্ষণ সাহায্য করে এবং অস্টিওপোরোসিস বা অস্তিক্ষয়  রোগ প্রতিরোধ করে ।
  • মুখ গর্ভের স্বাস্থ্য রক্ষায়-  নিয়মিত পেঁয়াজ মুখে নিয়ে চিবিয়ে খেলে দাঁতের ক্ষয় এবং মুখের ভেতরে সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায় তাই সালাদের মাঝে কাঁচা পেঁয়াজ খেলে মুখের ভেতর জীবনের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এবং মুখ গর্ভের স্বাস্থ্য রক্ষা করা সম্ভব ।
  • ডায়াবেটিস প্রতিরোধে- পেঁয়াজে থাকা chumium ইনসুলিনের মাত্রা কমাতে এবং গ্লুকোজ সঞ্চলতা মাত্রাকে উন্নত করতে সাহায্য করে ।
  • কানের ব্যথা  দূরীকরণ - কানের ব্যথায় পেঁয়াজের রস কানে লাগালে ব্যথা দূর হয় পেয়াজে থাকা এসেনশিয়াল সেটা হয়ে থাকে খুব ভালো হয় যদি পেঁয়াজ চুলাই থেকে নিয়ে বা সেদ্ধ করে রস বের করে সেটা কুসুম গরম অবস্থায় কানে দেয়া যায় ।
  • হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ -  হিট স্টকে আক্রান্ত হলে পেয়াজ একটি খুব ভালো ঘরোয়া উপায় হতে পারে তাই ওই সময় কাঁচা পেঁয়াজের রসের সাথে চিনি মিশিয়ে খাওয়াতে হবে । এছাড়া পেঁয়াজের রস পায়ের পাতায় রস উপকার পাওয়া যায় । 
  • রক্ত বন্ধ করতে - দেহের কোন স্থানে কেটে গেলে এক টুকরা পেয়াজ গসুন দেখবেন সাথে সাথে রক্ত বন্ধ হয়ে গেছে এবং এটি ইনফেকশন প্রতিবেদন সাহায্য করে ।
  • চুলের যত্নে - এটি ক্লিনিকলোই পরীক্ষিত যে চুল ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে পেঁয়াজের রস ধারুণ কার্যকর । পেঁয়াজের রস মাথায় নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে । মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং জীবন মুক্ত রাখতে সাহায্য করে । একটি বড় পেঁয়াজ ভালো করে পিসে ছাঁকনি দিয়ে ছেকে রস বের করে নিতে হবে । তারপর এই রস পুরো মাথার ত্বকের ও চুলে লাগিয়ে এক ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে । ঘন্টা পর মাথা সেম্পু দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে ।
  • শরীরকে বিষ মুক্ত করে - পেঁয়াজে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক সালফার যৌগ আছে যা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী । সালফারে এমাইনো এসিড যা রসুন ও ডিমের পাওয়া যায় । এই এমিনো এসিড গুলোকে মিথিওনাইন  ও সিস্টাইন বলা হয় । এই উপাদানগুলো শরীরকে বিভিন্ন ক্ষতিকর ধাতু থেকে মুক্তি দেয় । এমনকি এগুলো শরীর থেকে সীসা আর্সেনিক ও ক্যাডমিয়াম বের করে দেয় । পেঁয়াজের ভিটামিন সি আছে যা শরীরকে বিশুদ্ধ করে এবং সিসা আর্সেনিক ও কেডিয়াম থেকে রক্ষা করে ।
  • লাল পেয়াজ মাসিক সংশোধন করতে সাহায্য করে মাসিক শুরু হবার কিছুদিন আগে লাল পেঁয়াজ খান ।
  • যৌন ক্ষমতা বাড়ায় - পেঁয়াজ যৌন ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে প্রতিদিন  এক গ্লাস করে পেঁয়াজ রস খেলে যৌন ক্ষমতা বাড়ে । এভাবে নিয়মিত খেলে যৌন ক্ষমতা প্রায় ২০০ ভাগ বেড়ে যায় যারা পেঁয়াজের রস খেতে পছন্দ করেন না তারা খাবারের সাথে কাচা পেঁয়াজ খেলে উপকার পাবেন ।
  • শরীরের কালো দাগ - হলুদের সাথে পেঁয়াজের রস মিশ্রিত করে শরীরের কোন কালো দাগ থাকলে সেখানে ব্যবহার করুন কালো দাগ চলে যাবে ।
  • পেয়ার হজম শক্তি বাড়ায়
  • সাদা পেঁয়াজ পাইলস থেকে রক্ত ঝরা বন্ধ করবার জন্য সুপারিশ করা হয় ।
  • প্রতিদিন একটা পেঁয়াজ আপনার ঘুমের অভাব দূর করবে ।
  • জয়েন্ট পেইন দূর করে ।
  • কৃমির সমস্যা থাকলে এক চামচ পেঁয়াজের রস খেলে উপকার পাওয়া যায় ।
  • দাঁতের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে ।
  •  পেঁয়াজ মেমরি ও স্নায়ুর উন্নতি ঘটায় ।
  • কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করে ।
  • প্রতিদিন চিনি দিয়ে ভাত খেলে তা শিশুদের উচ্চতা লাভ করতে সাহায্য করে ।
  • বারবার বমি হলে ৪-৫ ফোটা পেঁয়াজের রস পানিতে মিসিয়ে পানি খেলে বমি হওয়া বন্ধ হয়ে যাবে।
  • পেঁয়াজ খেলে শরীরে অতিরিক্ত ইউরিক এসিড বের হয়ে যায় ।
  • হেচকি উঠলে পেঁয়াজের রস মিশিয়ে পানি খেলে হেচকি ওটা বন্ধ হয়ে যাবে ।
  • বিষ ফোঁড়ার পেঁয়াজের রস লাগালে টানটানিক ব্যথা সেরে যায় ।
  • পেঁয়াজ ধমনীতে ময়লা জমতে দেয় না তাই ব্লাড প্রেসার কমাই ।
  • আমাশয় ও ডায়রিয়া কমায় ।
  • পেঁয়াজ এর রস মুখে দিলে ব্রণ দূর হয় ।
  • শরীরের ক্ষত বা পুরা স্থানে পেঁয়াজের রস উপকারী ঘা যুক্ত স্থানে পেঁয়াজের রস দিয়ে দিয়ে দিলে তাড়াতাড়ি সেরে যাবে ।
  • পেঁয়াজের রসের করলার রস মিশিয়ে ছোট সাইজের কাপের এক দুই কাপ খেলে ভীষণ রকমের আর্জিন সেরে যায় ।
  • যেসব শিশুদের ঘুম কম হয় এবং রাত্রিতে ঘুম না আসার জন্য মাকে ঘুমাতে দেয় না তাদের ঘুমের ঔষধ পেঁয়াজ । প্রথমে এক লিটার পানি ভালো করে ফুটিয়ে নিয়ে আচ থেকে নামিয়ে নেই । দুটি মাঝারি সাইজের পেঁয়াজ করনি দিয়ে কুরে এটি সেই পানিতে ডেলে দশ মিনিট রাখুন  । পানি ঠান্ডা হলে ছেকে নিন খুব ছোট শিশু হলে এক চামচ পানি নিয়ে ৫ ফোঁটা বিশুদ্ধ মধু মিশিয়ে বাচ্চাকে খাইয়ে দিন বাচ্চা শীঘ্রই অনিন্দরা থেকে ঘুম আসবে ।
  • ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে - বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে পেঁয়াজের এন্টিঅক্সিডেন্ট কোষের ডিএনএকে ক্ষতি থেকে বাঁচিয়ে ক্যান্সার প্রতিরোধ করে । এমনকি গবেষণায় দেখার টেস্ট টিউবে ট্রিমার কে ধ্বংস করে । পেঁয়াজ এর রস বিষাক্ত নয় এবং এর কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই তাই যত খুশি তত খেলে কোন সমস্যা নেই ।
পেঁয়াজ টাটকা খাওয়া উচিত পেঁয়াজ কেটে বাসি না করে টাটকা খাওয়াটাই ভালো । পেঁয়াজকে বায়ু নাশক বলা হয় কিন্তু রান্না করা পেঁয়াজ কেটে রাখলে পেঁয়াজের গুণ নষ্ট হয়ে যায় ।

পেঁয়াজের অপকারিতা

প্রিয় পাঠক তারপরে আমরা আলোচনা করেছি যে পেঁয়াজের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে আপনি যদি উপরের অংশটুকু মনোযোগ সহকারে পড়ে থাকেন তাহলে নিশ্চয় জানতে পেরেছেন । তাই নিচে এখন আমরা আলোচনা করব  পেঁয়াজের অপকারিতা সম্পর্কে । তাই আপনি যদি পেঁয়াজের অপকারিতা সম্পর্কে জানতে চান তাহলে নিচের অংশটুকু মনোযোগ সহকারে পরুন-


  •   এলার্জি - এলার্জিযুক্ত ব্যক্তিদের জন্য পেঁয়াজ খাওয়াটা মোটে নিরাপদ নয় । এলার্জির অন্যতম কারণ  হচ্ছে পেঁয়াজের কারণে যদি এলার্জি হয় , চুলকানি , শ্বাস নিতে অসুবিধা , শরীর জ্বলন ইত্যাদির মত এলার্জি লক্ষণ গুলো জন্ম দিতে পারে ।
  • চোখের সমস্যা - পেয়াজ কাটার সময় যে যাজালো রস বাতাসে ভেসে চোখে লাগে ও চোখের পানি জড়াই তাতে থাকে সালফিউরিক এসিড । এই সালফিউরিক এসিড চোখের সংঘর্ষে গেলে চোখ জ্বালাপোড়া সহ মানুষকে অন্ধ করে দিতে পারে ।
  • মুখে দুর্গন্ধ - মানুষের মুখে দুর্গন্ধ অন্যতম কারণ হতে পারে অতিরিক্ত পেঁয়াজ কাঁচা খাওয়া কাঁচা পেঁয়াজের এই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আপনার মুখ ও শ্বাসকে দীর্ঘ সময় ধরে দুর্গন্ধযুক্ত রাখতে পারে ।

শেষ কথা

প্রিয় পাঠক আপনি যদি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো আর্টিকেলটি পড়ে থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই জানতে পেরেছেন যে পিয়াজের উপকারিতা অপকারিতা ও পুষ্টিগুণ সম্পর্কে আরো জানতে পেরেছেন কি কি রোগ ভালো হয় । তথ্যবহুল এই আর্টিকেলকে যদি আপনার কাছে ভালো লেগে থাকে তাহলে নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইটি ভিজিট করবেন ।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url