কাঁঠালের ঔষধি গুনাগুন - কাঁঠালের উপকারিতা জেনে নিন

কাঁঠাল আমাদেরজাতীয় ফল । পুষ্টিগুনে ভরপুর কাঁঠাল স্বাস্থ্য রক্ষায় অবদান রাখে প্রচুর । বিশেষ করে এতে উপস্থিত খাদ্য উপাদান সহায়তা করে বিভিন্নভাবে । প্রিয় পাঠকগণ এই আটকে গেলে আমরা আলোচনা করব কাঁঠালের ঔষধি গুনাগুন এবং কাঁঠালের উপকারিতা সম্পর্কে আপনি যদি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো আর্টিকেলটি পড়েন তাহলে সমস্ত কিছু জানতে পারবেন ।


কাঁঠাল আমাদের দেশের ফলের মধ্যে সবচেয়ে বড় ফল এবং অনেক সুস্বাদু । তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক কাঁঠালের গুনাগুন ও কাঁঠালের উপকারিতা সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হবে ।

কাঁঠালের উপকারিতা জেনে নিন

আপনি যদি কাঁঠালের উপকারিতা সম্পর্কে না জেনে থাকেন তাহলে আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্য । নিচে কাঁঠালের উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করা হবে । তাই আপনি যদি কাঁঠালের উপকারিতা সম্পর্কে জানতে আগ্রহী থাকেন তাহলে নিচের অংশটুকু পড়ুন ।

  • কাঁঠালের রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি যা দাঁত মাড়ি ও মুখের ঘা জাতীয় রোগ প্রতিরোধ সহায়তা করে ।
  • এতে চর্বি জাতীয় উপাদানের উপস্থিতি নেই বললেই চলে । তাই কাঁঠাল খেলে ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা একেবারেই থাকেন ।
  • কাঁঠালের রয়েছে সর্বোচ্চ পরিমাণে পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে এবং হাটের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ সহায়তা করে ।
  • কাঁঠালের রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্ষতিকর দূষণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে । স্তন পাকস্থলী ও ফুসফুসে ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে ।
  • কাঁঠালের রয়েছে খাদ্য আঁশ যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও হজম শক্তি বৃদ্ধি করে ।
  • টেনশন ও নার্ভাসনের কাটাতে কাঁঠাল ব্যাস উপকারী ।
  • এতে উপস্থিত খনিজ উপাদান রক্তের শর্করা বা চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে । ফলের ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণ কাঁঠাল ভূমিকা রাখে ।
  • সর্দি কাশি প্রতিরোধ কাঁঠাল ব্যাস কার্যকরী ।
  • রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ যা রাতকানা রোগ প্রতিরোধে কাঁঠালের ঝুড়ি নেই ।
  • কাঁঠালের ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম আর ও দাঁত গঠনে এবং মজবুত করনে কার্যকরী ভূমিকা রাখে ।
  • এতে উপস্থিত ভিটামিন বি রেড রোগের ঝুঁকি কমায় সেই সাথে ত্বকের নানা রোগ প্রতিরোধে  সহায়তা করে । ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল করতেও কাঁঠালের ভূমিকা রয়েছে ।
  • কাঠালের বিদ্যমান প্রোটিন দেহের কুশ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে ।
  • কাঁঠালের উপস্থিত আয়রন ও খনিজ উপাদান রক্তস্বল্পতা দূর করে । সুষ্ঠুভাবে রক্ত চলাচলে সহায়তা করে ।
  • গর্ববতী মা প্রতিদিন ২০০ গ্রাম পাকা কাঁঠাল খেলে গর্ভস্থ শিশুর সব ধরনের পুষ্টি অভাব দূর হয় এবং গর্ভস্থ সন্তানের বৃদ্ধির স্বাভাবিকভাবে হয় মায়ের দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় ।
  • কাঁঠালে উপস্থিত সকল উপাদান রূপ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে ।
  • কাঁঠালের কুশ ব্যবহারের পাশাপাশি অন্যান্য অংশ কাজে লাগানো যায় । ফলের পাশাপাশি কাঁঠাল গাছেরও বেশ নানা উপকারিতা রয়েছে ।
  • কাঁঠালের খোসা ও ভর্তি গবাদি পশুর খাবার হিসেবে ব্যবহার হয় । কাঁঠালের পাতা ছাগলের পছন্দনীয় খাবার ।

কাঁঠালের ঔষধি গুনাগুন

প্রিয় পাঠক উপরে আমরা আলোচনা করেছি কাঁঠালের উপকারিতা সম্পর্কে এখন নিচে আলোচনা করা হবে কাঁঠালের ঔষধি গুনাগুন সম্পর্কে তাই নিচের অংশটুকু মনোযোগ সহকারে পড়ুন ।
  • কাঁঠাল গাছের শেখর চর্মরোগ হাঁপানি জ্বর ও ডায়রিয়া রোগের ঔষধ হিসেবে ব্যবহার হয় । কাঁঠালের পোড়া পাতার চায়ের সাথে ভুট্টা ও নারিকেলের খোসা একসাথে পুড়িয়ে নারকেল তেলের সাথে মিশিয়ে ঘা বা ক্ষতস্থানে লাগালে তা দ্রুত শুকিয়ে যায় ।
  • কাঁঠাল গাছের কাঠের গুড়া কাপড় রাঙানোর রং তৈরি উৎপাদন হিসেবে ব্যবহার হয় ।
  • কাঁঠাল গাছের কাঠ অত্যন্ত শক্ত মজবুত ও উন্নত ধরনের কাট । এ কাট আসবাবপত্র তৈরি কাজের ব্যবহার করা হয় ।

কাঁঠাল গাছের বৈশিষ্ট্য

কাঁঠাল গাছ মাঝারি আকারের এবং প্রায় ৮ থেকে ১০ মিটার লম্বা হয় । প্রধানমূলী ও ৫০০বৃত্তিতে শেখর সাধারণ মাটির ২ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে । সাদা দুধের মত তোরক্ষীর এগাছের অন্যতম বৈশিষ্ট্য । পাতা গাড়ো সবুজ উপবৃত্তাকার সরল ও একান্তভাবে সাজানো । রুপনের 7 থেকে 8 বছর পরেই ফল ধরা শুরু হয় । সাধারণত ডিসেম্বর থেকে মার্চের মধ্যে ফুল আসে । সহবাসী উদ্ভিদ বিদায় একই গাছে পুরুষ ও মহিলা পৃথকভাবে ফুল ধরে । গধাকৃতি মঞ্জুরি দন্দে প্রচুর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ফুল একত্রে থাকে ।

তান্দের ঘোড়ার দিকে সাধারণত স্ত্রী ফুল এবং বুড়া ও শীষে পুরুষ ফুল ধরে । ছোট অবস্থায় দেখে এ ফলের লিঙ্গ নিরূপণ করা যায় । পুরুষ পুরুষ ফুলের চেয়ে স্ত্রী ফুল লম্বা ও চওড়া বেশি হয় । পুরুষ ফুলের উপরিভাগ বেশ নরম ও মুসলিম মনে হয় । পুরুষ ফুলের আকৃতি শুরু ও দীর্ঘল । কিন্তু স্ত্রী ফুল অপেক্ষাকৃত মোটা ও খাটো । ত্রিফল ভোটার কাছে মোটা রিং এর মত থাকে পুরুষ হলে তা থাকেনা সেটা শুরু থাকে ।

প্রকৃতপক্ষে একটি পুরুষ ফুল হলো একটি সবুজ চর্মবত । নালাকার পোষ্ট দ্বারা আবদ্র একটি মাত্র পুংকেশর । পরাগরেণু ছড়ানোর সময় ব্যোমকেশরগুলো পুষ্ঠপুর থেকে বেরিয়ে মঞ্জুরীর উপরিভাগে চলে আসে এবং কয়েক দিনের মধ্যেই মঞ্জরীর উপরিভাগ হলুদ পরাগরেণুতে ছেয়ে যায় । পরাগরেণু বিজারণ বা ফুল ফোটার তিন চার দিনের মধ্যেই পর পরাগায়ন ও গর্ভধারণ সম্পন্ন হয় । একটি কাঁঠালের

 মধ্যে অসংখ্য কোষ বা কুয়া থাকে এগুলোই প্রকৃতপক্ষে ফল । কোষের চার পাশে পাতলা পিতার মতো চিতা বা চাকরি থাকে । এই চিটাও খোশাকে একত্রে শিব্রা বলে । খুশির উপরে ছোট বড় কাটা থাকে এবং কাটার সংখ্যা যত ফুলের সংখ্যা কত হয়। ফলের বিন্যাস প্রান্তীয় ধরনের । ডালের গা বেয়ে ফল ধরে ফল পাকে মে আগস্ট মাসুমে । প্রিয় পাঠক এতক্ষণ আমরা আলোচনা করেছি যে কাঁঠাল গাছের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ।

আরো  পড়ুন ঃ টমেটো চাষ পদ্ধতি -টমেটোর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জেনে নিন

শেষ কথা

প্রিয় পাঠক এই আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করেছি যে ও কাঁঠালের ঔষধি গুনাগুন এবং কাঁঠালের উপকারিতা সম্পর্কে আরো আলোচনা করেছি যে কাঁঠাল গাছের বৈশিষ্ট্য নিয়ে। আপনি যদি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো আর্টিকেলটি পড়ে থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই জানতে পেরেছেন । তথ্যবহুল এই আর্টিকেলটি যদি আপনার কাছে ভালো লেগে থাকে তাহলে নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করবেন ।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url