লাল শাকের উপকারিতা - পুই শাকেরউপকারিতা

 ছোটবেলা থেকেই সবার খুব প্রিয় একটা শাক হচ্ছে লাল শাক ।একটুখানি শাক নিয়ে ভাত মাখলে কি সুন্দর টকটকে লাল হয়ে যায় বা এগুলো দেখতে ভালো এবং খেতে চমৎকার হওয়ার পাশাপাশি লাল রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়ায় । প্রিয় পাঠক আপনি যদি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই আর্টিকেলটি পড়েন তাহলে জানতে পারবেন লাল শাকের উপকারিতা এবং পুঁইশাকের উপকারিতা সম্পর্কে ।


লাল শাকের যেমন উপকারিতা হয়েছে পুইশাকে তেমন অনেক পুষ্টি উপাদান রয়েছে। তাহলে চলুন দেরি না করে শুরু করা যাক আজকের আর্টিকেলটি ।
পেইজ সূচিপত্রঃ লাল শাকের উপকারিতা -  পুঁইশাকের উপকারিতা জেনে নিন
  • লাল শাকের উপকারিতা
  • পুঁই শাকের উপকারিতা 
  • শেষ কথা

লাল শাকের উপকারিতা

  • লাল শাক দেখতে লালচে গোলাপি ধরনের হয়ে থাকে । হিমোগ্লোবিনে পূর্ণ এই শাক । আমাদের দেশে অতি পরিচিত শাকগুলো মধ্যে লাল শাকের তুলনা মেলা ভার । এই লাল শাক আমাদের শরীরে রক্ত তৈরি করতে সবচেয়ে কার্যকরী বেশি । খাবার চিবাতে পারে এমন শিশুদের জন্য লাল শাক ভীষণ উপকারী । কারণ শিশুদের আয়রন আয়োডিন দরকার হয় প্রচুর পরিমাণে । আর লাল শাক আয়রনের উৎকৃষ্ট উৎসব । আস্তে আস্তে শিশুর পেটের হজম শক্তি অবস্থা বুঝে পরিমাণ বাড়াতে পারেন । বাড়ন্ত শিশু পূর্ণ বয়স্কদের জন্য  বয়ে আনে সুফল । এনিমিয়া অর্থাৎ রক্তশূন্যতা নিম্ন রক্তচাপ ব্লাড প্রেসার দুর্বলতা ক্রমশক্তি কমে যাওয়া ডায়াবেটিস সমস্যায় লাল শাক পালন করে অপরিহার্য ভূমিকা ।
  • গর্ভবতী অবস্থায় থেকে শিশুর জন্ম ও মাতৃদুগ্ধ পান পর্যন্ত লালশাক ভিশন জরুরী । তবে এখানেও খেয়াল রাখা দরকার বেশিরভাগ গর্ভবতী মায়ের প্রচুর পরিমাণে গ্যাস এসিডিটির সমস্যা থাকে । তাই দুপুরে শাক খাওয়া ভালো । কারণ ইন্টেস্ট টাইন অর্থাৎ খাবার হজমকারী জরুরী নাহলে নালী বিশিষ্ট অঙ্গ অধিক রাতে কাজ করে না । সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সজল থাকে বেশি । আর রাতে শাক পরিহার করাই ভালো ।
  • মেনোপুজ মানে মানসিক চিরতরে বন্ধ হয়ে যাওয়া । নারীদের হার দুর্বল হয়ে আসে তবু চলে আসে বৈরীভাব । ভঙ্গুর হতে থাকে নখ । শরীরে দেখা যায় আয়রন ক্যালসিয়ামের ঘাটতি । লাল শাক এ অবস্থায় হতে পারে উপকারী বন্ধু । দেহে রক্ত বাড়াবে আর ত্বক চুল ও নখের পুষ্টি জোগা বে । পুষ্টিমূল্য বিচারে শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সবার জন্যই লালসাখ উপকারী ।

পুই শাকের উপকারিতা



  • কুচু চিংড়ি দিয়ে পুঁইশাক অনেকেই খুব প্রিয় খাবার । সর্দি ও কোষ্ঠকাঠিন্য ছাড়াতে দধি এবং পুইশাক সেদ্ধ করে খেলে ভালো উপকার পাবেন । 
  • এ ছাড়া পুঁইপাতা থেঁতো করে ব্রণের উপর প্রলেপ দিলে ব্রণ নিরাময়ের ক্ষেত্রে চমৎকার ফল পাওয়া যায় ।
  • কোথায় আছে মাছের রাজা রুই আর শাকের রাজা পুই ।
  • পুই শাক যদিও গরম তবু এই শাক শরীরকে রাখে ঠান্ডা ।
  • ভিটামিনের পরিমাণ বেশি থাকে পুঁইশাকের ডগায় ।
  • পুঁইশাক নিয়মিত খেলে শরীরে শক্তি পুষ্টি ও বীর্য বৃদ্ধি করে এবং বাত ও পিওনাশক হিসেবে বিশেষ অবদান রাখে ।
  • পুঁই শাকের রয়েছে প্রচুর পরিমানে আঁশ থাকে যা কোষ্ঠকাঠিন দূর করে দেহের বর্জ্য বের করতে সাহায্য করে ।
  • পুইশাকে ভিটামিন এবং ভিটামিন সি ত্বকের রোগ জীবাণু দূর করে শারীরিক বৃদ্ধিতে সাহায্য করে । চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে সেই সঙ্গে চুল মজবুত করে ।
  • নিয়মিত পুইশা খেলে পাইলস ফিস্টুলা ও হেমোরয়েড হওয়ার আশঙ্কা থাকে খুবই কম ।
  • পুইশাকে আছে এন্টি ইনফ্লামেটরি গুণ শরীরের কোন অংশ আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে ভুলে গেলে পুঁইশাকের শিকড় বেটে লাগালে দ্রুত উপশম হয় ।
  • শরীরে খোস পাচরা কিংবা ফুরার মত অনাবশক সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে পারদর্শী  পুইশাক ।
  • যাদের প্রায় প্রতিদিনই মাথা ব্যাথা থাকে নিয়মিত পুইশাখ খেলে তারা উপকার পাবেন  দ্রুত । তাই পরিবারের সবার স্বাস্থ্য সচেতনতাই খাদ্য তালিকায় নিয়মিত পুঁইশাক রাখুন ।

শেষ কথা

প্রিয় পাঠক উপরে আমরা আলোচনা করেছি যে লাল শাকের উপকারিতা এবং পুঁইশাকের উপকারিতা সম্পর্কে । আপনি যদি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো আর্টিকেলটি পড়ে থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই জানতে পেরেছেন । তথ্যবহুল এই আর্টিকেলটি যদি আপনার কাছে ভালো লেগে থাকে তাহলে নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করবেন।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url