বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট

 বাংলাদেশ বর্তমান বিশ্বের উদীয়মান অর্থনীতির দশটি দেশের মধ্যে অন্যতম একটি উন্নয়নশীল দেশ ।  তাই বিশ্বায়নে সব ক্ষেত্রে পদচারণা করতে চাই এ দেশটি । বঙ্গবন্ধু -১স্যাটেলাইট সে অনুপ্রেরণা ফসল ।  আর বাংলাদেশ বর্তমান স্যাটেলাইট অপারেটর থেকে ব্যান্ডউইথ ভাড়া করে স্যাটেলাইটটি সংযোগের প্রয়োজন তা পূরণ করে যার খরচ প্রায় ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার  । তাই আপনারা যদি পুর আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে এর বিস্তারিত জানতে পারবেন ।

তাই সরকারের পরিকল্পনা যে এটি দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও বিক্রি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব । এটি বাংলাদেশ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি লাভজনক প্রকল্প । স্যাটেলাইট হলো আধুনিক উদযাসিত যন্ত্র যা কক্ষপথে স্থাপিত হয় ।

পেজ সূচিপত্রঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট

২০১০ সালের ২৯ মার্চ বাংলাদেশের ডাক ও যোগাযোগমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট প্রকল্প ঘোষণা করেন । এর মোট খরচ ধরা হয় ৩২৪৩ কোটি টাকা । বাংলাদেশ দেবে ১৫৫৫ কোটি টাকা । বাকি টাকা গুলো বিদেশ থেকে ঋণ হিসেবে আসবে । প্রিয় পাঠক আপনি যদি বঙ্গবন্ধুর স্যাটেলাইট সম্পর্কে না জেনে থাকেন তাহলে আশা করি বুঝতে পেরেছেন ।
  1. মহাকাশ বা জ্যোতি বিজ্ঞান গবেষণা।
  2. আবহাওয়া পূর্বাভাস ।
  3. টিভি রেডিও স্টেশন মোবাইল ফোন ইন্টারনেট সংযুক্তিতে ।
  4. নেভিগেশন বা জাহাজের দিকনির্দেশনায় ।
  5. পরিদর্শন পরিক্রমায় সাময়িক ক্ষেত্রে শত্রুর অবস্থান ।
  6. দূর সংবেদনশীল ।
  7. মাঠে বা পানির নিচে অনুসন্ধান কাজ চালানো ।
  8. মহাশুন্য এক্সপ্রেশন ।
  9. ছবি তোলার কাজে ।
  10. হারিকেন ঘূূর্ণিঝড় প্রাকৃতিক বিপর্যয় পূর্বাভাস ।
  11. গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম জিপিএস ।
  12. পারমাণবিক হামলা দল বাহিনী এবং অন্যান্য স্টিল এজেন্স সম্পর্কে আবান সতর্কবার্তা পেতে ।
  13. তেল প্রাকৃতিক গ্যাস ও বিভিন্ন গণের সন্ধান করা ।
  14. ডিজিটালম্যাপ তৈরি ইত্যাদি ।
সরকার ধারণা করেছে আগামী সাত বছরের মধ্যে সব খরচ উঠে আসবে । বাংলাদেশের টিভি রেডিও চ্যানেলগুলো প্রায় ১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ও স্যাটেলাইট ভাড়া হিসাবে ব্যয় করে । বঙ্গবন্ধু ১ স্যাটেলাইট চালু হলে-
সমুদ্রের প্রাকৃতিক সম্পাদন সন্ধানঃ বাংলাদেশ ভারত ও মায়ানমারের কাছ থেকে মোট ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গ কিলোমিটার সমুদ্রসীমা জয় করেছি । এ বিশাল এলাকায় প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে । সরকার এর জন্য সাবমেরিন কিনেছে আর এখন যোগ হচ্ছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ।

বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনঃ মোট ৪০টি ট্রান্সপোর্টারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যবহার করেছে ২০টি । বাকি ২০টি ভুটান নেপাল মধ্যে ল্যান্ড লক দেশগুলোতে ভাড়া দিয়ে প্রায় ৫০ মিলিয়ন ডলার আয় করা যাবে ।

তথ্যপ্রযুক্তিতে উন্নতিঃ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নির্মাণের ফলে টেলি মেডিসিন ও ই লার্নিং এই গবেষণা ভিডিও কনফারেন্স প্রতিরক্ষা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উন্নত হবে । বাংলাদেশ হবে তথ্য প্রযুক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি দেশ ।আরো পড়ুনঃরক্তদানের নিয়ম কারণ
স্বাধীনতার সময় বাংলাদেশের দারিদ্র্যের হার ছিল 80% এর উপর যা বর্তমানে ২২দশমিক ২৪ শতাংশ ।
মাথাপিছু আয় এক হাজার ছয়শ দশ মার্কিন ডলার । বর্তমান সরকার একটি ডিজিটাল দেশ উপহার দেয়ার স্বপ্ন দেখে ক্ষমতায় এসেছিল । বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট তারই ফলাফল । সরকার খুব শীঘ্রই শুরু

 করতে যাচ্ছে প্রত্যাশিত সেই স্যাটেলাইট । প্রিয় পাঠকগন এতক্ষণ যদি আপনি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের আর্টিকেলটি পড়ে থাকেন তাহলে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ । এরকম আরো তথ্যবহুল আর্টিকেল পড়তে আমাদের ওয়েবসাইটটি নিয়মিত ভিজিট করুন ।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url