৫০ টি দাম্পত্য টিপস

দাম্পত্য বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ 50 টি টিপস জানা থাকলে খুব সহজেই তা পালন করতে পারবো । তাই সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন । তাই এই বিষয়ে জানা আমাদের খুব জরুরী তাই ৫০ টিপস বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হলো ।


তাহলে চলুন দেরি না করে জটপট গুরুত্বপূর্ণ ৫০ টি দাম্পত্য টিপস সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক । উক্ত বিষয়টি জানতে হলে আপনাকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে ।

সূচিপত্রপঃ দাম্পত্য বিষয়ক ৫০টি টিপস
  • দাম্পত্য বিষয়ক টিপস ১-১০
  • দাম্পত্য বিষয়ক টিপস ১১-২০
  • দাম্পত্য বিষয়ক টিপস ২১-৩০
  • দাম্পত্য বিষয়ক টিপস ৩১-৪
  • দাম্পত্য বিষয়ক টিপস ৪১-৫০
  • শেষ কথা

  • দাম্পত্য বিষয়ক টিপস ১-১০
১. সুন্দর সম্পর্ক নি্জ থেকে তৈরি হয় না , সেটি তৈরি করতে হয় । তাই আপনাকেও একটি সুন্দর সম্পর্ক তৈরি করতে হবে ।

2. কর্ম ক্ষেত্রেই যদি আপনার সবটুকু কর্ম ক্ষমতা নিঃশেষ করে ফেলেন , তাহলে আপনার দাম্পত্য জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হবে ।

৩. আপনার উৎফুল্ল আচরণ হতে পারে আপনার জীবন সঙ্গী/জীবন সঙ্গিনীর জন্য খুব দামী একটা উপহার ।

৪. কাউকে একসাথে ভালোবাসা এবং ঘৃণা করা আপনার জন্য অসম্ভব নয় ।

৫. আপনার জীবন সঙ্গিনীর ব্যাপারে বন্ধুদের কাছে অভিযোগ করা থেকে বিরত থাকুন । মনে রাখবেন বন্ধুদের প্রতিক্রিয়া আপনার দাম্পত্য সম্পর্কে বিপর্যয় দেখে আনতে পাড়ে ।

৬. দাম্পত্য জীবনে তাই নিয়ম যা দুজনের পছন্দের ভিত্তিতে ঘটে ।

৭. সাময়িক ঝগড়া বিবাদ এর কারণে দাম্পত্য সম্পর্ক পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায় না । মনের মধ্যে জমে থাকা চাপা খুব আর যন্ত্রণায়  জীবনকে তিলে তিলে ধ্বংস করে দেয় ।

৮. দাম্পত্য সম্পর্ক কি পেলাম এর হিসেবে মেলানোর জন্য নয় . বরং সঙ্গী সঙ্গিনী নি কে কি দিতে পেরেছেন তাই দাম্পত্য সম্পর্কের মূল কথা .

৯. এভাবে জীবনসঙ্গী জীবনসঙ্গিনী হিসেবে আমি সর্বোত্তম এমনটি মনে হওয়া অতি আত্মবিশ্বাসের লক্ষণ এমনকি মনে হলে নিজেকে যাচাই করুন  ।

১০. সংসারের ক্রমাগত আর্থিক সচলতা অর্থ এই নয় যে দাম্পত্য জীবনে সুখের মধ্য দিয়ে কাটছে ।

  • দাম্পত্য বিষয়ক টিপস ১১-২০
১১. যদি বিশ্বাস ভেঙ্গে গিয়ে থাকে, তাহলে সেই বিশ্বাস জোড়া দেওয়ার সময় এখনও পার হয়ে যায়নি। এজন্য যেকোনো সময়ই উপযুক্ত সময়।

১২. অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যা নিয়ে তর্ক হয় তা আসল বিষয় থাকে না।

১৩. ভালোবাসা কেবল অনুভুতি নয়; বরং আমাদের কাজের মাধ্যমেই ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

১৪. বেশি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা মনের হতাশা ও অতৃপ্তিকে বাড়িয়ে দেয়।

১৫. দাম্পত্য জীবনের অনেক তর্কই হয়ত এড়িয়ে যাওয়া যায় না। তবে ক্ষতিকর বিতর্ককে এড়িয়ে যেতেই হবে।

১৬. জীবনসঙ্গী/জীবনসঙ্গিনীর প্রতি আপনার গভীর মনোযোগ পরস্পরের জন্য হতে পারে অমূল্য উপহার।

১৭. অনেক সময় সুখী দম্পতিরাও ভাবেন যে, তারা ভুল মানুষটিকে বিয়ে করেছেন।

১৮. আপনার জীবনসঙ্গী/জীবনসঙ্গিনী আপনাকে সুখী করার শতভাগ নিশ্চয়তা দিতে না পারলেও তিনি আপনার সুখী হওয়ার ব্যাপারে অবশ্যই সাহায্য করতে পারেন।

১৯. মিথ্যা বলে হয়ত সামান্য কিছু সুবিধা পান। কিন্তু পরিমাণে মিথ্যা বলার জন্য সুবিধার চেয়ে অনেক বেশি চড়া মূল্য দিতে হয়। অতএব, মিথ্যা বলা বর্জন করুন।

২০. আপনার মতামত যে সবসময় সঠিক, এমনটি ভাববেন না।

  • দাম্পত্য বিষয়ক টিপস ২১-৩০

২১. বছরের পর বছর ধরে যে বিশ্বাস আপনি গড়ে তুলেছেন, তা এক মুহূর্তে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।

২২. সঙ্গী বা সঙ্গিনীর অপরাধবোধকে দীর্ঘায়িত করে তার অনুভূতি নিয়ে খেলা করে আপনি যা পেতে চান, তা কখনোই পাবেন না।

২৩. আপনার বন্ধুদেরকে অবহেলা করবেন না।

২৪. আপনার যদি মনে হয়, ‘তুমিই আমার জন্য সঠিক মানুষটি, যাকে আমি বিয়ে করেছি’, তাহলে আপনি ঠিক পথেই আছেন।

২৫. কোনোকিছু প্রমাণ করতে যাওয়ার প্রলোভনকে দমন করতে পারলে, বস্তুত আপনি অনেক কিছুই প্রমাণ করতে পারলেন।

২৬. আত্মিক উদারতা একটি সুখী দাম্পত্য জীবনের প্রধান ভিত্তি।

২৭. সঙ্গী বা সঙ্গিনী যদি কোনো রক্ষণাত্মক আচরণ করে, তাহলে তার রক্ষণাত্মক হওয়ার পক্ষে আপনিও কিছু কারন দেখাতে পারেন।

২৮. বিয়ে কোন ৫০/৫০ সম্ভাবনা না; বরং এটি হলো ১০০/১০০।

২৯. দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে আপনি কোনোকিছু এখনও পরিশোধ করতে পারেন আবার পরেও পারেন। তবে যতদেরিতে তা করবেন, ততবেশি জরিমানা আপনাকে দিতে হতে পারে।

৩০. সুন্দর বৈবাহিক সম্পর্কের জন্য ত্যাগ স্বীকার করা প্রয়োজন। এমনটি করতে পারলে, আপনি আপনার ত্যাগের চেয়ে ভোগই বেশি করতে পারবেন।

  • দাম্পত্য বিষয়ক টিপস ৩১-৪

৩১. ক্ষমা কোন সাময়িক গুণ নয়; বরং ক্ষমা একটি চলমান প্রক্রিয়ার নাম।

৩২. দাম্পত্য জীবনের কঠিন সময়গুলো আপনাকে একজন ভালো মানুষ করে তুলবে।

৩৩. বিয়ে অনেকটা রকেট উৎক্ষেপণের মতো। যখন তাতে মাধ্যাকর্ষণ টান পূর্ণ থাকে, তখন ফ্লাইট চলতে খুব সামান্য জ্বালানীর প্রয়োজন হয়।

৩৪. দাম্পত্য জীবনে সাফল্য পেতে হলে, অতীতে কী হয়েছে তা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে, ভবিষ্যতের করণীয় নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে।

৩৫. আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। কৃতজ্ঞতা বোধকে নিজের ভেতর চেপে রাখবেন না।

৩৬. বাস্তবতার খাতিরে মাঝে মাঝে নীরবতা পালন করা একটি অসাধারন উপায়।

৩৭. আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীর কাছে আপনার সর্বোত্তম প্রশ্নগুলোর একটি হতে পারে, “আমি কীভাবে তোমাকে আরও বেশি ভালোবাসতে পারি?”

৩৮. চাইলেই দাম্পত্য জীবনকে চিরসবুজ করে রাখা যায়।

৩৯. যৌক্তিক অনুমানের ভিত্তিতে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। তবে পদক্ষেপ নেওয়ার পূর্বে অনুমানকে যাচাই করে নেওয়াই আবশ্যক।

৪০. মনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্যই সবকিছু নয়, কিন্তু তা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি।

  • দাম্পত্য বিষয়ক টিপস ৪১-৫০

৪১. সার্থক যৌন সম্পর্ক সার্থক দাম্পত্য সম্পর্কের নিশ্চয়তা দেয় না। তবে তা সার্থক দাম্পত্য সম্পর্ক নির্মাণে সহায়তা করে।

৪২. ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করলে তা দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষতি করবে না। তবে সন্দেহজনক বিষয় নিয়ে লুকোচুরি করলে তা দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষতি করবে।

৪৩. সঙ্গী/সঙ্গিনীকে আঁকড়ে ধরে রাখার প্রবণতা এবং ঈর্ষাপরায়ণতার জন্ম হয় ভয় থেকে, ভালোবাসা থেকে নয়।

৪৪. বিশ্বাসযোগ্যতা বিশ্বাসযোগ্যতার জন্ম দেয় এবং বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখার অভ্যাস গড়ে তোলে।

৪৫. আপনার স্বামী বা স্ত্রী যদি কোনোকিছুকে গুরুত্বপূর্ণ ভাবে, তাহলে তা আপানর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

৪৬. দাম্পত্য সম্পর্কে প্রেমাবেগের প্রয়োজন কখনোই ফুরিয়ে যায় না।

৪৭. নতুন সম্পর্কের ঔজ্জ্বল্য সবসময়ই ক্ষণস্থায়ী হয়ে থাকে।

৪৮. নীরবতাও আক্রমণাত্মক হতে পারে যখন তা অস্ত্র হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

৪৯. অধিক উত্তম হলো নিজে কীভাবে সঠিক কাজটি করতে পারেন সেদিনে মনোযোগ দেওয়া। তারপর আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনী কী ভুল করেছে সেদিকে মনোযোগ দেওয়া।

৫০. দাম্পত্য সম্পর্ককে মানিয়ে নেওয়া একেবারেই অসম্ভব মনে হলে, কেবল তখনই বিচ্ছেদের দিকে পা বাড়াতে পারেন। 


শেষ কথা ঃ

প্রিয় পাঠক গন  আজকে এই আর্টিকেলে দাম্পত্য অভিষেক ৫০ টি টিপস সম্পর্কে আলোচনা করা হলো । আপনি যদি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ে থাকেন তাহলে আশা করি উত্তর বিষয়টি জানতে পেরেছেন আর যদি না পড়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ে নিন ধন্যবাদ ।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url