বাংলাদেশে রেডিও থেরাপির খরচ কত

আপনারা কি বাংলাদেশে রেডিও থেরাপির খরচ কত ও রেডিও থেরাপি দিতে কত টাকা লাগে সে সম্পর্কে জানতে চান? তাহলে আমাদের আজকের এই পোস্টটি আপনাদের জন্য। আজকে আমরা আলোচনা করব বাংলাদেশে রেডিও থেরাপির খরচ কত এবং রেডিও থেরাপি দিতে কত টাকা লাগে সে সম্পর্কে। আসলে রেডিও থেরাপি অনেকটা ব্যয়বহুল চিকিৎসা পদ্ধতি। যা সবার পক্ষে বহন করা সম্ভব হয় না
তাহলে চলুন দেরি না করে জেনে নেই, বাংলাদেশে রেডিও থেরাপির খরচ কত সে সম্পর্কে।

সূচিপত্রঃ বাংলাদেশে রেডিও থেরাপির খরচ কত

বাংলাদেশে রেডিও থেরাপির খরচ কত

রেডিও থেরাপি মূলত ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা পদ্ধতি। ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য চিকিৎসার অনেক টাকা ব্যয়বহুল হয়ে থাকে। তাই অনেকে বাংলাদেশ রেডিও থেরাপির খরচ কত তা জানার জন্য খোঁজ করে থাকেন। আমাদের আর্টিকেলটি মূলত তাদের জন্য। ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্যক্তিকে কেমোথেরাপি দেয়া সম্পন্ন হলে পরবর্তী স্টেপে রেডিওথেরাপি দিতে হয়। রেডিওথেরাপি সম্পর্কে অনেকের অনেক রকম ধারণা রয়েছে। এখন আমরা জানার চেষ্টা করব বাংলাদেশের রেডিও থেরাপির খরচ কত এবং আরো অনেক অন্যান্য তথ্য।

আরো পড়ুনঃ পাহাড়পুর কোন জেলায় অবস্থিত - পাহাড়পুর কোন নদীর তীরে অবস্থিত

একটা নিউজ পোর্টাল থেকে আমরা জানতে পেরেছি যে একজন রোগীকে মোট আটটা কেমোথেরাপি দিতে হয়েছে যার খরচ প্রায় 2 লক্ষ 50 হাজার টাকা। এবার পরবর্তী স্টেপ হচ্ছে রেডিওথেরাপির মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তোলা। এখানে কেমোথেরাপি দেয়া হয়েছে আট সাইকেলের যার খরচ হয়েছে মোট আড়াই লক্ষ টাকা। তবে রেডিওথেরাপির ক্ষেত্রে রয়েছে দুইটা ধরন। তার মধ্যে একটা ধারণা হচ্ছে যদি আপনি সরকারি হাসপাতালে সরাসরি এই রেডিওথেরাপি দেন তাহলে আপনার সত্তর হাজার টাকার মত খরচ হতে পারে।

আবার যদি আপনি রেডিও থেরাপি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে দেওয়ান সে ক্ষেত্রে আপনার এক লক্ষ টাকার মত খরচ হতে পারে। তবে এটা যেহেতু অন্যান্য কোন বিভাগে এ ব্যবস্থা নাই তাই আপনাকে সম্পূর্ণ ঢাকার কোন হাসপাতালে এটা করাতে হবে। এছাড়াও আপনাকে রেডিওথেরাপি দেয়ার আগে অবশ্যই কিছু টেস্ট করতে হবে। যে টেস্টগুলোর খরচ ও প্রায় অনেক বেশি হয়ে থাকে। সব মিলিয়ে একজন রোগীর পরিবারকে রেডিওথেরাপি এবং কেমোথেরাপি নিঃস্ব করে দিতে পারেন। তারপরও তারা রোগীকে একটু সুস্থ করে তোলার জন্য চেষ্টা করে যায়।

রেডিও থেরাপি দিতে কত টাকা লাগে

সাধারণত ছোটখাটো কোন অসুখের ট্রিটমেন্ট রেডিওথেরাপি নয়। এটা হচ্ছে বড় একটা মরণব্যাধি ক্যান্সার অসুখ এর ট্রিটমেন্ট। বিশ্বে এখন পর্যন্ত যত বড় বড় অসুখ ধরা পড়েছে তার মধ্য থেকে সবচাইতে বড় অসুখ হচ্ছে এই ক্যান্সার। ক্যান্সারে আক্রান্ত অধিকাংশ মানুষই বেঁচে থাকে না। তবে এই ক্যান্সারের সঠিক চিকিৎসা কেউ এখন পর্যন্ত আবিষ্কার করতে পারেন নাই। সকলের চিন্তার কারণ হচ্ছে এটাই। তবে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারবে এরকম ওষুধ বের করতে না পারলেও এমন কিছু পদ্ধতি হয়েছে যা সবকিছু একসাথে প্রয়োগ করার মাধ্যমে ক্যান্সার সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা যেতে পারে।

আরো পড়ুনঃ দোয়া মাসুরা না পড়লে কি নামাজ হবে

এ ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতির রেডিওওথেরাপি হচ্ছে একটা অংশ। সে রেডিও থেরাপি নিয়ে আজকে আমরা কথা বলছি। বাংলাদেশে রেডিও থেরাপির খরচ কত এবং রেডিও থেরাপি দিতে কত টাকা লাগে সেগুলো বিষয়ে। অবশ্যই সবার অবগত আছে যে ক্যান্সারের প্রতিটা চিকিৎসায় হচ্ছে অনেকটা ব্যয়বহুল। সেজন্য অনেকের মনে প্রশ্ন আসে বাংলাদেশের রেডিও থেরাপির খরচ কত। সেজন্য আমরা বাংলাদেশের একটা বড় নিউজ পোর্টাল এর মাধ্যমে আপনাদের সামনে কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছি। ভালো হবে।

রেডিওথেরাপি কিভাবে দেওয়া হয়

সাধারণত ১ থেকে ১০ সপ্তাহের জন্য সপ্তাহে পাঁচ দিন রেডিওথেরাপি চিকিৎসা সেশন নেওয়া হয়ে থাকে। ক্যান্সারের সামগ্রিক সংখ্যা পদ্ধতির আকার এবং প্রকারের উপর নির্ভর করে থাকে। সাধারণত 10 থেকে 30 মিনিট করে প্রত্যেকটা রেডিও থেরাপি সেশন সময় নিয়ে থাকে। প্রত্যেক সপ্তাহে প্রায় রোগীকেই থেরাপি থেকে ছুটি দিয়ে থাকে, যা সুস্থ কোষ পুনরুদ্ধারের জন্য সাহায্য করে থাকে। প্রত্যেক সেশনের সময় চিকিৎসা টেবিলে আপনাকে শুয়ে দিবে এবং আপনাকে অবস্থান করবে আপনার দল।

প্রাথমিক বিকিরণ শিমুলেশনের সময় ব্যবহৃত আপনার একই রকমের সংযম এবং কুশন প্রয়োগ করে থাকবে। আপনার শরীরের অন্যান্য অংশকে ক্ষতিকারক বিকিরণ থেকে রক্ষা করার জন্য কভার বা প্রতিরক্ষামূলক শিল্ডিং আপনার চারপাশে বা ওপরে স্থাপন করতে পারেন। একটা লিনিয়ার অক্সিলেটর সিস্টেম রেডিয়েশন থেরাপির জন্য ব্যবহার করা দরকার। যেটা বিকিরণ ফোকাস সঠিক অবস্থানে করতে পারে। বিকিরণ লক্ষ্য সঠিক কোনে করবার জন্য মেশিনটাকে টেবিলের চারদিকে স্থানান্তর করে।

রেডিওথেরাপি কেন দেওয়া হয়

রেডিওথেরাপি ক্যান্সারের চিকিৎসা করার জন্য দেওয়া হয়ে থাকে। সার্জারি বা অস্ত্রপাতের মাধ্যমে প্রথম অবস্থায় ক্যান্সার ঠিক করা হয়ে থাকে। তারপরে ই রেডিওথেরাপির কিন্তু দরকার পরেই। আবার কিছু জায়গাতে রেডিওথেরাপির প্রথম অবস্থাতে দরকার হয় না। যেমন মনে করেন যে কোলন ক্যান্সার। এক্ষেত্রে শুধু কেমোথেরাপি বা সার্জারিই যথেষ্ট হয়ে থাকে। দেখা যায় ৩ বছর পর হয়তো হারে বাসা বেধেছে সেই কোষ হারকে ভেঙে ফেলছে। অথবা মস্তিষ্কের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সেই মুহূর্তে কিন্তু সবচাইতে জরুরি চিকিৎসা হচ্ছে রেডিওথেরাপি চিকিৎসা।

আরো পড়ুনঃ ঘুম ঘুম ভাব দূর করার উপায়

সেক্ষেত্রে যেখানে রেডিও থেরাপি লাগেই না পরবর্তীতে সেখানেও লাগতে পারে রেডিওথেরাপি। রেডিও থেরাপি ছাড়া কিছু কিছু জায়গায় তো চিকিৎসা কেমন ভালো ফলাফল পায় না। তার মধ্যে অন্যতম হদ ক্যান্সার হচ্ছে হেডনেক ক্যান্সার। এখানে রেডিও থেরাপি অসাধারণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়াও জরায়ের মুখের ক্যান্সারের ক্ষেত্রে অসাধারণ ভূমিকা রয়েছে রেডিওথেরাপির। এরকম ভাবে চিন্তা করলে দেখা যাবে যে মস্তিষ্কের টিউমার, স্থান ক্যান্সার, ফুসফুসের ক্যান্সার সহ এমন কোন জায়গা নাই যে রেডিওথেরাপির ভূমিকা কে সেখানে অস্বীকার করা যাবে।

শেষ কথাঃ বাংলাদেশে রেডিও থেরাপির খরচ কত

বাংলাদেশে রেডিও থেরাপির খরচ কত সে সম্পর্কে জানতে হলে আমাদের পুরো পোষ্টটি পড়ুন। বাংলাদেশে রেডিও থেরাপির খরচ কত সে সম্পর্কে সবার আগে জানতে হলে আমাদের সাথেই থাকুন। বাংলাদেশে রেডিও থেরাপির খরচ কত সে সম্পর্কে জানতে হলে আমাদের পুরো পোস্টটি ভালোভাবে পড়ুন, আশা করি সবকিছু ভালোভাবে বুঝতে পারবেন।

আজ আর নয়, বাংলাদেশে রেডিও থেরাপির খরচ কত সে সম্পর্কে আপনার কোন কিছু জানার থাকলে আমাদের কমেন্ট বক্সে জানাতে পারেন। আশা করি আমরা আপনার উত্তরটি দিয়ে দেবো। তাহলে আমাদের আজকের এই বাংলাদেশে রেডিও থেরাপির খরচ কত সে সম্পর্কে পোস্টটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে, তাহলে আপনার ফেসবুক ইন্সটাগ্রাম প্রোফাইলে আমাদের পোস্টটি শেয়ার করতে পারেন। ধন্যবাদ। ২৩৭৬৬

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url