পিলখানা হত্যাকান্ডের কারণ - পিলখানা হত্যাকান্ডের ছবি

আমরা অনেকেই পিলখানা হত্যাকান্ডের কারণ জানিনা। আমাদের দেশের এটি একটি কালো অধ্যায়। তাই আমাদেরকে পিলখানা হত্যাকান্ডের কারণ সম্পর্কে জানতে হবে। আপনাদের জানার সুবিধার্থে আজকের এই আর্টিকেলে পিলখানা হত্যাকান্ডের কারণ বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

তাহলে চলুন দেরি না করে ঝটপট পিলখানা হত্যাকান্ডের কারণ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। উক্ত বিষয়টি জানতে হলে আপনাকে সম্পূর্ণ আর্টিকেল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে।

সূচিপত্রঃ পিলখানা হত্যাকান্ডের কারণ - পিলখানা হত্যাকান্ডের ছবি

পিলখানা হত্যাকান্ডের কারণ - পিলখানা হত্যাকান্ডের আসল রহস্য

বাংলাদেশের ইতিহাসে কলঙ্কিত ও হৃদয়বিদারক ঘটনা হলো পিলখানা হত্যাকাণ্ড। পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল ২০০৯ সালের ২৫ এবং ২৬ শে ফেব্রুয়ারি। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ ঘটনাটি কখনোই ভোলা সম্ভব নয়। আমরা এখন পর্যন্ত পিলখানা হত্যাকান্ডের কারণ জানিনা। বাংলাদেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে পিলখানা হত্যাকান্ডের আসল রহস্য আমাদের জানা উচিত।

আরো পড়ুনঃ দোয়া মাসুরা না পড়লে কি নামাজ হবে

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের কয়েকদিন আগে বিডিআর সদস্যরা জাতিসংঘ মিশনে যাওয়ার সুযোগ না থাকায় রেশম বৈষম্য ডালভাত কর্মসূচি নামে টাকা আত্মসাধের অভিযোগ সহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্থানীয় সংসদ সদস্য সহ কয়েকজনের সঙ্গে দেখা করা এবং কথা বলার চেষ্টা করেন। বিডিআর এর কিছু সদস্য কয়েকটি দাবি নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে আসছিলেন।

২৪ ফেব্রুয়ারি বিডিআর সপ্তাহ শুরুর দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পিলখানায় আসেন। ইতিমধ্যে প্রত্যাশা অনুযায়ী তাদের দাবি-দাওয়া কিছু না হওয়ার বিডিআর বিদ্রোহের পরিকল্পনা করেন কিছু বিডিআর সদস্য যাদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সুবেদার গোফরান মল্লিক। একই দিনে বিএনপি নেতা নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুর সঙ্গে বাসার কাছে কয়েকজন বিডিআর সদস্য কথা বলেন।

ঘটনার সাথে সুনির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দল বা নেতার সম্পৃক্ততা পাওয়া যায় নি। তবে কিছু বিডিআর সদস্য তাদের দাবি-দাওয়া আদায়ের লক্ষ্যে ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে এবং পরে কিছু বেসামরিক ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সেনাবাহিনীর ওপর ক্ষুব্ধ হয়।

এতে বেসামরিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা বিডিআর সদস্যদের দাবি আদায়ের চেষ্টাকে নিজেদের প্রতিশোধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে থাকতে পারেন। ঘটনার পরিকল্পনাকারী ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বেশিরভাগই অল্প বয়সী, সিপাহী পদবির এবং কেরানি পেশার ছিলেন। এছাড়া ঘটনার সাথে দেশি-বিদেশি কোনো জঙ্গি সংগঠনের সম্পৃক্ততার তথ্য, আলামত বা পূর্বাভাস পাওয়া যায় নি।

এসবের মধ্যে আছে ১৯৯১ সালে বিদ্রোহের পর অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা এ ধরনের বিদ্রোহের পুনরাবৃত্তির দুঃসাহস দেখিয়েছে। পেলখানা হত্যাকাণ্ডে সেদিন যারা শহীদ হয়েছিলেন তারা আর কখনোই ফিরে আসবেন না। এখনো তাদের বাবা-মা স্ত্রী সন্তানেরা তাদের লাশটুকু পাওয়ার জন্য আকুতি মিনতি জানাই।

বিডিআর বিদ্রোহ কেন হয়েছিল

বিডিআর বিদ্রোহ হলো ২০০৯ সালের ২৫ এবং ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআরদের একটি গ্রুপ দ্বারা সংঘটিত বিদ্রোহ। আমরা অনেকেই বিডিআর বিদ্রোহ কেন হয়েছিল? বিষয়টি সম্পর্কে জানিনা। এটি বাংলাদেশের একটি কালো অধ্যায়। বিদ্রোহের পর সংগঠন টির নাম পরিবর্তন করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা সংক্ষেপে বিজিবি রাখা হয়। বিডিআর বিদ্রোহ কেন হয়েছিল সংক্ষিপ্ত কারণ জেনে নেওয়া যাক।

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের কয়েকদিন আগে বিডিআর সদস্যরা জাতিসংঘ মিশনে যাওয়ার সুযোগ না থাকায় রেশম বৈষম্য ডালভাত কর্মসূচি নামে টাকা আত্মসাধের অভিযোগ সহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্থানীয় সংসদ সদস্য সহ কয়েকজনের সঙ্গে দেখা করা এবং কথা বলার চেষ্টা করেন। বিডিআর এর কিছু সদস্য কয়েকটি দাবি নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে আসছিলেন।

২৪ ফেব্রুয়ারি বিডিআর সপ্তাহ শুরুর দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পিলখানায় আসেন। প্রত্যাশা অনুযায়ী তাদের দাবি দাওয়া পূরণ না হওয়ার বিডিআর বিদ্রোহের পরিকল্পনা করেন কিছু বিডিআর সদস্য যাদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সুবেদার গোফরান মল্লিক। একই দিনে বিএনপি নেতা নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুর সঙ্গে বাসার কাছে কয়েকজন বিডিআর সদস্য কথা বলেন।

পিলখানা হত্যাকান্ডের তারিখ

পিলখানা হত্যাকান্ডের তারিখ সম্পর্কে জেনে রাখা বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব এবং কর্তব্য। বাংলাদেশের একটি কালো রহস্যের মধ্যে অন্যতম একটি হলো পিলখানা হত্যাকাণ্ড। পিলখানা হত্যাকান্ডের কারণ এবং পিলখানা হত্যাকান্ডের তারিখ সাধারণ জ্ঞান হিসেবে এবং বাংলাদেশের কলঙ্কময় ইতিহাস হিসেবে জানা উচিত।

আরো পড়ুনঃ ঘুম ঘুম ভাব দূর করার উপায়

পিলখানা হত্যাকান্ড সংগঠিত হয়েছিল ২০০৯ সালের ২৫ এবং ২৬ শে ফেব্রুয়ারি। এই দুই দিন পিলখানা হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল। পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা সহ ৭৪ জন নিহিত হয়েছিল। এ হত্যা মামলার মোট আসামি সংখ্যা ছিল ৮৫০ জন। ২০১৩ সালে নিম্ন আদালত হত্যা মামলায় রায় ঘোষণা করেছিল।

পিলখানা হত্যাকান্ড টার্গেট বাংলাদেশ pdf

আপনারা যারা পিলখানা হত্যাকান্ডের কারণ জানেন না এই আর্টিকেল থেকে বিস্তারিত জেনে নিন। পিলখানা হত্যাকাণ্ড টার্গেট বাংলাদেশ pdf বিতাড়িতভাবে আলোচনা করা হলো।

বিডিআর বিদ্রোহ হলো ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালিন বিডিআরদের একটি গ্রুপ দ্বারা সংগঠিত বিদ্রোহ। বিদ্রোহের পর সংস্থাটির নাম পরিবর্তন করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা সংক্ষেপে বিজিবি করা হয়। বর্তমানে বিজিবি নামে সংস্থাটি পরিচিত। এটি একটি আধা-সামরিক বাহিনী যার প্রধান কাজ বাংলাদেশের সীমানা পাহারা দেয়া।

সে হিসেবে এরা সীমান্তরক্ষী বাহিনী নামেও পরিচিত। বিদ্রোহী বিডিআর সৈন্যরা পিলখানায় বিডিআর সদর দফতর দখল করে বিডিআরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন অন্যান্য সেনা কর্মকর্তা ও ১৭ জন বেসামরিককে হত্যা করে। তারা বেসামরিক লোকদের উপর গুলি চালিয়েছিল।

তারা অনেক অফিসার এবং তাদের পরিবারকে জিম্মি করেছিল, স্থাপনা ও সম্পদ ভাংচুর করেছিল এবং মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়েছিল। বিদ্রোহের দ্বিতীয় দিনে বিডিআর ক্যাম্প আছে এমন অন্য ১২টি শহরে অশান্তি ছড়িয়ে পড়েছিল। সরকারের সাথে একাধিক আলাপ-আলোচনার পরে বিদ্রোহীরা অস্ত্র সমর্পণ করে এবং জিম্মিদের মুক্তি দেয়। অস্ত্র সমর্পণের মধ্য দিয়ে এ বিদ্রোহের অবসান ঘটে।

২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১৬১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়, আরও ২৫ জন বিদ্রোহে জড়িত থাকার কারণে তিন থেকে দশ বছরের মধ্যে কারাদণ্ড পেয়েছিল। আদালত অভিযুক্ত ২৭৭ জনকেও খালাস দিয়েছিল। পিলখানা হত্যাকাণ্ড টার্গেট বাংলাদেশ pdf সম্পর্কে আলোচনা করা হচ্ছে।

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশন অভিযোগ করে যে এই বিচারগুলিতে আসামিদের পর্যাপ্ত সময়-সুযোগ দেয়া হয়নি, "নিষ্ঠুর প্রতিশোধের আকাঙ্ক্ষাকে সন্তুষ্ট করার জন্য বিচার কাজ সাজানো হয়েছে" বলে তারা অভিযোগ করে। ২৭ ফেব্রুয়ারি বেসামরিক পোশাকে পিলখানার সদর দফতর থেকে পালানোর চেষ্টা করার সময় প্রায় ২০০ বিদ্রোহীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সেনাবাহিনীর ট্যাঙ্ক এবং সৈন্যরা বিডিআরের সদর দফতরে প্রবেশ করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন আশ্বাস দিয়েছিলেন যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে সেনাবাহিনী প্রবেশ করেছে। তিনি আরও বলেছিলেন, বিডিআর সদস্যদের সদর দফতরের একটি নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ট্যাঙ্কগুলি শক্তিমত্তা দেখাতে আনা হয়েছিল।

তথ্যঃ উইকিপিডিয়া

পিলখানা হত্যা ভিডিও

পিলখানা হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসে খুবই জঘন্যতম একটি ইতিহাস। আশা করি ইতিমধ্যেই পিলখানা হত্যাকান্ডের কারণ সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। আমরা অনেকেই পিলখানা হত্যা ভিডিও দেখিনি আপনাদের সুবিধার্থে পিলখানা হত্যা ভিডিও নিচে উল্লেখ করা হলো।

পিলখানা হত্যাকান্ডের ছবি

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা সহ ৭৪ জন নিহিত হয়েছিল। আপনারা যারা পিলখানা হত্যাকান্ডের ছবি দেখেন না তাদের জন্য নিচে পিলখানা হত্যাকান্ডের ছবি উল্লেখ করা হলো।

আরো পড়ুনঃ পাহাড়পুর কোন জেলায় অবস্থিত - পাহাড়পুর কোন নদীর তীরে অবস্থিত

ছবিঃ samakal

ছবিঃ jugantor

আমাদের শেষ কথাঃ পিলখানা হত্যাকান্ডের কারণ - পিলখানা হত্যাকান্ডের ছবি

প্রিয় পাঠক গণ আজকের এই আর্টিকেলে পিলখানা হত্যাকান্ডের ছবি, পিলখানা হত্যা ভিডিও, পিলখানা হত্যাকাণ্ড টার্গেট বাংলাদেশ pdf, পিলখানা হত্যাকান্ডের তারিখ, পিলখানা হত্যাকান্ডের আসল রহস্য, পিলখানা হত্যাকান্ডের কারণ বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আপনি যদি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ে থাকেন তাহলে আশা করি উক্ত বিষয়গুলো জানতে পেরেছেন। ২০৭৯১

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url