পাহাড়পুর কোন জেলায় অবস্থিত - পাহাড়পুর কোন নদীর তীরে অবস্থিত

পাহাড়পুর কোন জেলায় অবস্থিত, এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নিচে তুলে ধরা হবে। সেই সাথে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার সম্পর্কে আরো বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হবে।সুতরাং আপনি যদি পাহাড়পুর কোন জেলায় অবস্থিত? সেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনাকে পুরো আর্টিকেলটি পড়তে হবে। পাহাড়পুর কোন জেলায় অবস্থিত? তা নিচে তুলে ধরা হলো।

পেজ সূচিপত্র: পাহাড়পুর কোন জেলায় অবস্থিত

উপস্থাপনা

বাংলাদেশের যতগুলো প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হলো, পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার। ব্রিটিশ শাসন আমলে সর্বপ্রথম পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার আবিষ্কৃত হয়। এবং ব্রিটিশ শাসন আমলেই এর খনন কাজ শুরু করা হয়। ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দে স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম সর্বপ্রথম, পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার আবিষ্কার করেন। উপমহাদেশের গুরুত্বপূর্ণ এই বৌদ্ধবিহার টি সপ্তম শতকে নির্মিত হয় বলে জানা যায়। অতীশ দীপঙ্কর দশম শতকে এই বৌদ্ধ বিহারের আচার্য ছিলেন। 

১৮৭৯ সালে আবিষ্কারের পর স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার খনন করতে চাইলে তিনি বাধার সম্মুখীন হন। তাই সামান্য পরিমাণে খনন কাজ করে আর অগ্রসর হতে পারেননি।পরবর্তীতে ব্রিটিশ এর শাসন আমলেই, ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারে ব্যাপকভাবে খনন কাজ শুরু হয়। 

পরবর্তীতে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার বহুবার খনন করা হয়। শুধু তাই নয় বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে কয়েকবার পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার খনন করা হয়েছে। যাই হোক যেহেতু পাহাড়পুর বদ্ধ বিহার ঐতিহাসিক একটি স্থান এবং এটি প্রত্নতাত্ত্বিক একটি স্থান তাই বাংলাদেশের বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়। 

যেহেতু চাকরির ভাইভা পরীক্ষা সহ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা এমনকি বিসিএস পরীক্ষাতেও পাহাড়পুর সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। তাই আপনি যদি পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে রাখেন তাহলে, পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর খুব সহজেই দিতে পারবেন।

বিশেষ করে আপনি আপনি যদি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রার্থী হয়ে থাকেন কিংবা চাকরিপ্রার্থী হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা আপনার একান্ত কর্তব্য।এই আর্টিকেলটিতে পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা তুলে ধরা হবে তাই পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার সংক্রান্ত, বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগের সহিত পড়তে থাকুন। 

পাহাড়পুর কোন জেলায় অবস্থিত

আপনি যদি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে চান অথবা বিসিএস পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতে চান সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কিত এমসিকিউ  গুলো ভালোভাবে পড়তে হবে। অনেক সময় বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়।  
তাই পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে রাখা উচিত। আর্টিকেলটির এই অংশে  পাহাড়পুর কোন জেলায় অবস্থিত, সেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর তুলে ধরা হবে। তো দেরি না করে আসুন দেখে নেয়া যাক, পাহাড়পুর কোন জেলায় অবস্থিত?

পাহাড়পুর কোন জেলায় অবস্থিত? এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো: নওগাঁ জেলায়। নওগাঁ জেলার, বদলগাছি  উপজেলায় অবস্থিত। পাহাড়পুর কোন জেলায় অবস্থিত? আশা করি সেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানতে পারলেন। নিচে পাহাড়পুর কোন নদীর তীরে অবস্থিত, পাহাড়পুর কিসের জন্য বিখ্যাত এবং পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার কি নামে পরিচিত এ বিষয় সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা তুলে ধরা হবে। 

পাহাড়পুর কোন নদীর তীরে অবস্থিত

বাংলাদেশের যতগুলো বুদ্ধমন্দির রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম একটি হলো পাহাড়পুর বৌদ্ধ মন্দির।পাহাড়পুর বৌদ্ধ মন্দির সম্পর্কে এই আর্টিকেলটিতে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। পাহাড়পুর কোন নদীর তীরে অবস্থিত? সে বিষয় সম্পর্কে নিজেই বিস্তারিত আলোচনা তুলে ধরা হবে। তো চলুন দেখে নেয়া যাক, পাহাড়পুর কোন নদীর তীরে অবস্থিত। 

পাহাড়পুর সরাসরি কোন নদীর তীরে অবস্থিত নয়। তবে পাহাড়পুর যেহেতু নওগাঁ জেলার বদলগাছি  উপজেলায়, সেই অর্থে পাহাড়পুর ছোট যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত। পাহাড়পুর কোন নদীর তীরে অবস্থিত, আশা করি সেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানতে পেরেছেন। পাহাড়পুর কোন জেলায় অবস্থিত, সেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর উপরে তুলে ধরা হয়েছে। নিচে, পাহাড়পুর কিসের জন্য বিখ্যাত এবং পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার কি নামে পরিচিত, সেই বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হবে। 

পাহাড়পুর কিসের জন্য বিখ্যাত

পাহাড়পুর কিসের জন্য বিখ্যাত, আপনি যদি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর অনুসন্ধান করে থাকেন তাহলে সঠিক জায়গাতে এসে পৌঁছেছেন। পাহাড়পুর কিসের জন্য বিখ্যাত, আর্টিকেলটির এই অংশে সেই বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হবে। তো আসুন দেখে নেয়া যাক, পাহাড়পুর কিসের জন্য বিখ্যাত সেই বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য। 
নওগাঁ জেলায় অবস্থিত পাহাড়পুর ধ্বংসপ্রাপ্ত বৌদ্ধ বিহারের জন্য বিখ্যাত।পাহাড়পুরে, বৌদ্ধদের ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থাপনা রয়েছে। যার ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর একটি পর্যটন কেন্দ্রও বটে, সারাবছর বিভিন্ন মানুষ পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার ভ্রমণে যায়। চাইলে আপনিও, নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে ভ্রমণ করতে পারেন। 

পাহাড়পুর কিসের জন্য বিখ্যাত, আশা করি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানতে পেরেছেন। পাহাড়পুর কোন জেলায় অবস্থিত এবং পাহাড়পুর কোন নদীর তীরে অবস্থিত, এই বিষয়গুলো সম্পর্কে উপরে আলোচনা করা হয়েছে। নিচে, পাহাড়পুর কিসের জন্য বিখ্যাত এবং পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার কি নামে পরিচিত সে বিষয়ে সম্পর্কে আলোচনা করা হবে। 

পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার কি নামে পরিচিত

পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের আরো অনেকগুলো নাম রয়েছে। পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার কি নামে পরিচিত, সেই বিষয় সম্পর্কে আর্টিকেলটির এই অংশে বিস্তারিত আলোকপাত করা হবে।আর্টিকেলটির এই অংশ মনোযোগের সহিত পড়লে, পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার কি নামে পরিচিত, সেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানতে পারবেন। তাই, পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার কি নামে পরিচিত সেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানতে পড়তে থাকুন। 

পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার নামে অপরিচিত। পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার কি নামে পরিচিত, সেই প্রশ্নের সঠিক উত্তরই তো মধ্যেই তুলে ধরা হলো। পাহাড়পুর কোন জেলায় অবস্থিত, পাহাড়পুর কোন নদীর তীরে অবস্থিত এবং পাহাড়পুর কিসের জন্য বিখ্যাত, সে বিষয়গুলো নিয়ে ইতোমধ্যেই আলোচনা করা হয়েছে। 

শেষ কথা

এই আর্টিকেলটিতে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। তাই আপনি যদি মনোযোগের সহিত পুরো আর্টিকেলটি পড়ে থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই, পাহাড়পুর কোন জেলায় অবস্থিত, পাহাড়পুর কোন নদীর তীরে অবস্থিত এবং পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার কি নামে পরিচিত, সেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানতে পেরেছেন। 

পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার শুধু বাংলাদেশী প্রসিদ্ধ নয়। ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো, পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারকে ইতিহাসের অন্যতম একটি স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। সুতরাং পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বৈদেশিক ভাবেও খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। আর এ কারণেই পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের গবেষণা করার জন্য এবং পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন করার জন্য বিভিন্ন দেশ থেকে পর্যটকরা ভিড় জমায়। 
আপনি যদি পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার দেখে না থাকেন সেক্ষেত্রে সময় করে আপনিও দেখে আসতে পারেন ইউনেস্কো ঘোষিত এই ঐতিহাসিক স্থানটি। পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের বিভিন্ন ধরনের ঐতিহাসিক নিদর্শন রয়েছে। আপনি যদি পাহাড়পুর ভ্রমণে যান তাহলে বুদ্ধমূর্তি থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ের, অনেক নিদর্শন আপনার চোখে পড়বে। 

এবং স্বচক্ষে যখন আপনি এই নিদর্শন গুলো দেখবেন তখন খুব সহজেই তা আপনি মনে রাখতে পারবেন। যাইহোক পাহাড়পুর সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যবহুল এই আর্টিকেলটি আশা করি আপনার কাছে ভালো লেগেছে। যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে সকলের সাথে শেয়ার করবেন। ১৬৪১৩

Next Post
No Comment
Add Comment
comment url